• ওপেনসুসি ১১.১ আরেকটি জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন

    লিনাক্স হচ্ছে এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যার রয়েছে অনেক গুলো ডিস্ট্রিবিউশন,অনেকগুলো ফ্লেভার যা ব্যবহারকারী কে স্বাধীনতা দেয় তার পছন্দ ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন বেছে নেয়ার স্বাধীনতা। অর্থাৎ আপনি যদি মাল্টিমিডিয়া ব্যাবহারকারী হন বা অডিও ভিডিও এডিটিং এর কাজ করেন তবে আপনি সেসকল এ্যাপলিকেশন বা সুবিধা সম্বলিত লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন খুঁজে পাবেন তাছাড়াও অফিস বা কর্পোরেট ইউজার,লোকনফিগারেশন পিসির জন্য, ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওর জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।
    Read the rest of this entry »


  • Harddisk Partitioning using Parted Magic

    হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক কে কয়েকটি ভাগ করা।অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার বুঝবে আপনার হার্ডডিস্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত । এর ফলে আপনি একটি পার্টিশনে আপনার ওএস টি ইনস্টল করে অন্য পার্টিশনে রাখতে পারেন। Non-technical user বা যে সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালনায় খুব একটা অভিজ্ঞ নয় তারা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং ব্যাপারটাকে ভয় পেয়ে থাকে, এইবুঝি তাদের মুল্যবান ডাটা মুছে গেল। ব্যাপারটি লিনাক্স ইনস্টলের সময়ও ঘটে থাকে। যেমন লিনাক্সের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। অনেকে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে গিয়ে ভূল বসত নিজের ডাটাফাইল সমূহ মুছে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব একটি ডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম হচ্ছে “নরটন পার্টিশন ম্যাজিক” তবে এটি ফ্রি নয়। তবে এমন একটি ব্যাবহার বান্ধব ফ্রি ও ওপেনসোর্স হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম Gnome Partition Editor বা সংক্ষেপে “GParted“এটি বিভিন্ন ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন তৈরী করতে পারে ext2,ext3,fat16,fat32,hfs,jfs,linux-swap,ntfs,reiserfs,reiser4,xfs লিনাক্সের ক্ষেত্রে ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। আপনারা কেউ যদি পূর্বে উবুন্টুলিনাক্স ইনস্টল করে থাকেন তবে ইনস্টলের সময় যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন টুল ব্যবহার করা হয় সেটি হল “GParted“। আর এই “GParted” এর উপর ভিত্তি করে আরেকটি ডিস্ক পার্টিশন টুল তৈরী হয়েছে যার নাম হল ”

    Parted Magic
    Read the rest of this entry »


  • My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

    MR. Mustafa Jabbar যিনি বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের নিয়মিত কলামিস্ট এবং Bijoy এর ডেভলপার। গত বছরে তিনি উক্ত ম্যাগাজিনে বিনামূল্যের সফটওয়্যার এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে অযৌক্তিক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তারই জবাবে আমি এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দুবার চিঠিমারফত কম্পিউটার জগতে পাঠিয়েছিলাম

    ( চিঠি প্রথমবার পাঠানোর পর পরবর্তী মাসে আমার মন্তব্য না দেখতে পেয়ে আবার পাঠিয়েছিলাম)


    কিন্তু তা আজ অবধি দেখতে পাইনি। তাই ভাবলাম আমার ব্লগেই ঝালটা মেটাই বন্ধূ অমি আজাদের মত :)

    তার লেখাটির কিঞ্চিত অংশ এখানে তুলে ধরছি আমার নিজেস্ব বক্তব্য সহ “যা ছাপানো হয়নি”

    [ কম্পিউটার জগৎ ১৫তম বর্ষপূর্তি সংখ্যা]

    [ এপ্রিল ২০০৬ সংখ্যা ১২]

    [কভার আর্টিকেল- এ সময়ে প্রযুক্তির পথ চলা কোন দিকে?]

    [পেজ - ২৬ "ডিজিটাল মিডিয়ার প্রেক্ষিত এবং পার্সোনাল কম্পিউটিং ২০০৭ - মোস্তফা জব্বার]

    (২য় কলাম)

    ১)

    আমাদের মতো গরিব দেশে আমরা কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শূধূ বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরীর জন্য নিঃশেষ হতে দিতে পারিনা। আমাদের নিজেদের জন্য এই মেধা কে অর্থের অঙ্কে রূপান্তর করতে হবে।।

    জব্বার সাহেব আমরা এতটাই গরীব নই যে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব। আর আপনাকে কে বলেছে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠি নিঃশেষ হতে পারে। ধরুন আমি একজন দক্ষ প্রোগ্রামার । একদিকে আমি বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছি অপর দিকে আমার এই জ্ঞান এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কোন ভালো কোম্পানীতে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে উপার্জন করছি। আপনার বক্তব্যটি অযৌক্তিক কারন কোন সফটওয়্যার ডেভলপার যে শুধূ বিনামূল্যেই সফটওয়্যার তৈরী করবে তা কিন্তু নয় সে তার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থও উপার্জন করতে পারে।

    আর ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ডেভলপ করে একজন শিক্ষিত ডেভলপার কখনোই নিঃশেষ হতে পারেনা। কারন আমি একটি ওপেনসোর্স সফটও্যার ডেভলপ করলাম। এখন ধরুন আমি সফটওয়্যার ডেভলপ শিখছি বলতে পারেন শিক্ষার্থীর অবস্থায় আছি । এখন আমার প্রোগামিং এ ভূল ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয় এমন কি দক্ষ ডেভলপারও ভূল ত্রুটি করতে পারেন যার কারনে সফটওয়্যারে বাগ দেখা যায়। এখন সফটওয়্যার টা ওপেনসোর্স হলে বিশ্বের যে কোন ডেভলপার সেটিকে মডিফাই করতে পারছে এবং তাতে কোন বাগ বা ত্রুটি থাকলে তা সহজেই বের করতে পারছে। সেই সাথে সফটওয়্যার টিও বাগমুক্ত হচ্ছে এবং আপনি জানতে পারছেন আপনার কোথায় ভূল হয়েছিল এবং আপনি তা থেকে নতুন কিছু শিখলেন। তো দেখতে পারছেন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার শুধূ সফটওয়্যারেরই উন্নয়ন ঘটায় না আপনার দক্ষতার উন্নয়ন ঘটায়।

    ২)

    অনেকেই মনে করেন ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী ও বিতরনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগাম বাবদ অর্থ বাচিয়ে আমরা সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তুলতে পারবো। একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে একটি পর্যায়ে পর্যন্ত এটি অবশ্যই কার্যকর হতে পারে । কিন্তু আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।

    আঙ্কেল আপনিইতো একটু আগে আমাদের দেশকে গরিব দেশ বলে সম্বোধিত করলেন। তো আপনার কথা যদি মেনেই নি তবে আমাদের মত গরিব দেশে ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে আমরা যদি দেশ ও সরকারের মূল্যবান অর্থ বাঁচিয়ে দিতে পারি তবে কেন নয়?

    এখানে আপনি সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের গুরুত্বকে ও খাটো করে দেখছিনা বরং এটিও আমাদের সফটওয়্যার শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমরা বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছি। কিন্তু মাইক্রোসফট অফিসের মত দামী সফটওয়্যার যদি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে বৈধ ভাবে ক্রয় করে ব্যবহার করা হয় তখন আমরা সফটওয়্যারটির জন্য যে বিপূল অর্থ প্রদান করছি তা কি আমাদের দেশে থাকছে নাকি মাইক্রোসফটের টাকশালে চলে যাচ্ছে। এখন মাইক্রোসফট অফিসের বদলে যদি আমরা ফ্রি এবং ওপেনসোর্স অফিস এ্যাপলিকেশন ওপেনঅফিস ব্যবহার করি তবে দেখুন আমরা কত গুলো দেশীয় মূদ্রা সাশ্রয় করতে পারছি।

    আপনি বলেছেন “আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।”

    কিন্তু আপনার পরবর্তী বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিনামূল্যের সফটওয়্যারই আপনার মত ব্যবসায়ীর অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুক্ষীন করে তুলেছে এবং বিনামূল্যের সফটওয়্যারের প্রতি আপনার আক্ষেপের কারন ও জানা গেল।

    (কলাম ২-৩)

    ৩)

    মুনাফার লক্ষ্য না থাকলে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যাবসায়-বানিজ্য বা শিল্প বলতে কিছূ তৈরী হয়না। ফলে যারা ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চা করছেন, তারা তাদের কাজ অব্যহত রাখা সত্বেও অনুগ্রহ করে আমাদের মত ব্যবসায়ীদেরও একটি শিল্পখাত গড়ে তোলার স্বার্থে বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে দিন।

    মূনাফার লক্ষ্যের বিষয় টি নির্ভর করে সেই ডেভলপাররের উপর যিনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী করছেন তার উপর ।
    এখন সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের হলেই যে তা হতে মূনাফা অর্জন করা যাবেনা তা কিন্তু নয়। আপনি সার্ভিসিং বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দেখুন মোজিলা ফায়ারফক্সের মত ওপেনসোর্স ব্রাউজার কেমনি ওয়েবব্রাউজারের মার্কেটে উইন্ডোজের সাথে দেয়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে সদর্পে টিকে আছে এবং তারা নানা ভাবে আয় ও করছে।

    আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য পড়ে আমি হাসবো না কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা??!!!

    আপনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চাকারীদের প্রতি এ কি ধরনের অনুরোধ করছেন??? তারা আপনাদের বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে আটকাচ্ছে কোথায়?? বরং আপনারা যেমন বাংলাকম্পিউটিং কে অসম্ভব দামী করে তুলেছিলেন তখন অমিক্রন,অভ্র, একুশে এরা আমাদের ফ্রি বাংলা কম্পিউটিং এর সুযোগ করে দিয়ে আপনাদের মত ব্যাবসায়ীদের মূঠোর ভেতর থাকা হতে আমাদের রক্ষা করেছে। এজন্য আমরা তাদের প্রতি চিরঋনী।

    আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য আমি সঠিক ভাবে বুঝতে পারিনি তাই আপনার যুক্তি খন্ডন করতে পারলাম না :)

    (কলাম ৪)

    ৪)

    আমি এখনো এটি বিশ্বাস করি ,ম্যাক ওএস ১০ হচ্ছে পারসোনাল কম্পিউটারের সর্বশ্রেষ্ঠ অপারেটিং সিস্টেম । “এমনকি যারা লিনাক্সকে পিসির সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম মনে করেন , তারাও স্বীকার করবেন লিনাক্সের মতই ম্যাক ওএস ইউনিক্স নির্ভর”

    নিঃসন্দেহে ম্যাক ওএস একটি অসাধারন অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু আপনি বলতে ভূলে গেছেন এটি ফ্রি নয় এবং ম্যাক ওএস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে এ্যাপল পিসি কিনতে হবে যে টা ব্যায় বহূল। অন্যদিকে আপনার বক্তব্য অনুযায়ী সেই শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম আমরা ব্যবহার করতে পারছি বিনামূল্যে এবং নিম্ন কনফিগারেশনের পিসিতেও।

    (পৃষ্ঠা:৩ / কলাম ৩)

    ৫)

    কম্পিউটার বিজ্ঞান পাঠদানকারীরা ওপেনসোর্স আর ফ্রি সফটওয়্যার বানানোর কৌশল শিখিয়েছেন , কিন্তু কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কৌশল তাদের শেখাননি”

    আমি আপনার আর্টিকেল টা যতটুকু পড়েছি ততটুকু অবাক হয়েছি। একজন আইটির লোক কেমন করে এমন কথা বলে!!

    ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কি আলাদা আলাদা কৌশল আছে কি? আমার তো জানা ছিলনা। ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একটির প্রোগ্রামিং সোর্স কোড উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সোর্স কোড প্রদান করা হচ্ছেনা। নতুবা দুটো সফটওয়্যারই প্রোগ্রামার ডেভলপ করছে।

    আঙ্কেল কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর যদি আলাদা কৌশল থাকে তবে তা আপনি কি আমাদের শেখাবেন? :D


  • BBC Opensource Documentary The Codebreaker video

    digg_128x128.png

    Long time ago BBC showed a documentary about opensource name “The Codebreaker” . I recorded part 1 and part 2 of that documentary with my pinnacle 50 i PCTV internal tv card.

    Now I split that full documentary 8 part ( 5 min each ) and uploding to youtube.

    Here is my tube address : http://www.youtube.com/user/medarklord

    And Just Uploaded Part 1 here :

    http://www.youtube.com/watch?v=LQkDrb14f9I

    [youtube=http://www.youtube.com/watch?v=LQkDrb14f9I]

    enjoy……


  • Mount HD drive in linux

    লিনাক্সে উইন্ডোজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ দেখা

    আপনি যদি নতুন লিনাক্সব্যবহার কারী হন বা মাত্র লিনাক্স ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে দেখে থাকবেন যে আপনার অন্যান্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কোথাও দেখা যাচ্ছে না। কারন লিনাক্সে হার্ডডিস্ক , ইউএসবি বা রিমুভেবল ডিস্ক দেখানো হয় mount করার মাধ্যমে।তবে কিছু কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন startup এর সময় হার্ডডিস্ক মাউন্ট করে থাকে। যেমন Ubuntu Linux , OpenSuse 10.1। তবে OpenSuse 10.1 এর ক্ষেত্রে কিছুটা এভাবে করতে হবেঃ

    Gnome মেনু থেকে -

    Application > System > Configuration > Gnome Configuration Editor এ ক্লিক করে

    চিত্রঃ Gnome Configuration Editor

    Gnome Configuration Editor ওপেন করুন তারপর বামের ফোল্ডার গুলো expand করেঃ

    / > System > storage এ এসে

    # Display drives with removable media

    # Display external drives

    # Display internal hard drives

    এগুলোতে টিকমার্ক দিয়েদিন আর scsi হার্ডডিস্ক থাকলে scsi অপশন গুলোতেও টিকমার্ক দিয়ে দিন। তার পর সুসি রিস্টার্ট করুন । তবে আপনার ড্রাইভ গুলো দেখতে পাবেন।

    আর সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোর ক্ষেত্রেঃ

    লিনাক্সে NTFS পার্টিশন মাউন্ট করতে কিছটা সমস্যা আছে, মাউন্ট করলে সম্ভবত রিড অনলি এক্সেস দিবে। Fat32 ক্ষেত্রে

    লিনাক্স কিন্তু আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে

    [ উল্ল্যেখ্যঃ

    primary Master = hda

    primary slave = hdb

    Secondary Master = hdc

    Secondary slave = hdd

    ]

    এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

    ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

    তবে
    C drive টি হবে = hda1

    D drive = hda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hda5 থেকে ]

    এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

    E drive = hda6

    F drive = hda7

    G drive = hda8

    H drive = hda9

    I drive = hda10

    J drive = hda11

    এভাবে

    আর এই hda,hdb গুলো পাবেন কোথায়?

    আপনার লিনাক্সে রুট ‘ / ‘ পার্টিশন থেকে এভাবে যান /dev/ সেখানে স্ক্রোল করে দেখবেন এগুলো আছে।

    এবার দেখা যাক কি করে এগুলোকে লিনাক্সে মাউন্ট করা যায়

    চিত্রঃ ফোল্ডার তৈরী

    প্রথমে /mnt/ এ যান সেখানে c, d, e, f, g, h, i, j নামে একয়টি ফোল্ডার তৈরী করুন [ এগুলো মুছবেন না ]

    এবার নিচের মত করে কমান্ড গুলো ‘স্পেস’ সহ টেক্সটফাইলে লিখে রাখুনঃ

    mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c

    mount -t vfat /dev/hda5 /mnt/d

    mount -t vfat /dev/hda6 /mnt/e

    mount -t vfat /dev/hda7 /mnt/f

    mount -t vfat /dev/hda8 /mnt/g

    mount -t vfat /dev/hda9 /mnt/h

    mount -t vfat /dev/hda10 /mnt/i

    mount -t vfat /dev/hda11 /mnt/j

    [ উল্ল্যেখ্যঃ

    -t = ফাইল সিস্টেমের ধরন

    vfat =ফাইল সিস্টেম

    hda = হার্ডডিস্ক primary Master হিসেবে থাকলে ]

    এখন ধরে নিচ্ছি রুট হিসেবে লগইন করে আছেন । এবার Terminal ওপেন করে ‘ mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c ‘ এই কমান্ডটি দিন স্পেস সহ

    এবার /mnt/c/ ফোল্ডারে ঢুকে দেখুন আপনার C ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে কিনা! দেখা গেলে বাকি গুলোও একই ভাবে মাউন্ট করুন।

    এখন আপনি লিনাক্স রিস্টার্ট করলে এই ড্রাইভ গুলো আনমাউন্ট হয়ে যাবে। পরে আবার লগইইন এর পর আবার সেই কমান্ডদিয়ে হার্ডডিস্ক মাউন্ট করতে হবে। এখন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিভাবে?

    ধরুন আপনি চান লিনাক্স স্টার্ট আপের সাথে সাথেই সবগুলো হার্ডডিস্ক মাউন্ট হয়ে যাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগবেনা তবেঃ

    /etc/ ফোল্ডারে গিয়ে ” fstab ” ফাইলটি কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। তবে সেখানে কিছুটা এরকম কোড দেখতে পাবেন।

    চিত্রঃ fstab

    সেখানে আরো কিছু কোড যুক্ত করতে হবেঃ

    নিচের কোড গুলো এ্যাড করুন সেখানে

    /dev/hda1 /mnt/c vfat defaults 0 0
    /dev/hda5 /mnt/d vfat defaults 0 0
    /dev/hda6 /mnt/e vfat defaults 0 0
    /dev/hda7 /mnt/f vfat defaults 0 0
    /dev/hda8 /mnt/g vfat defaults 0 0
    /dev/hda9 /mnt/h vfat defaults 0 0
    /dev/hda10 /mnt/i vfat defaults 0 0
    /dev/hda11 /mnt/j vfat defaults 0 0

    আপনার ড্রাইভটি যদি ntfs হয় তবে ৩ নং সারিতে vfat এর যায়গায় ntfs দিয়ে দিন।

    ব্যাস এর পর থেকে লিনাক্স স্টার্টআপের সময় আপনার ড্রাইভ গুলো মাউন্ট হয়ে যাবে এবং /mnt/ ভেতরের
    c, d, e, f, g, h, i, j ফোল্ডার থেকে আপনার হার্ডিস্কের সেই পার্টিশন গুলো এ্যাক্সেস করতে পারবেন।

    তবে এই সবের পূর্বে ” fstab ” ফাইলটির একটি ব্যাকআপ কপি রাখুন করুন।

    আর আপনার লিনাক্স সম্পর্কিত সমস্যা http://forum.linux.org.bd/ এখানে

    বা Bdlug এ আলোচনা করতে পারেন।


    আর রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ বিষয় টি পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য


  • Unijoy in OpenSuse 10.1

    আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখে থাকবেন লিনাক্সে “Probhat” নামে বাংলা কি বোর্ড লেআউট আছে। যেটি একটি ফোনেটিক লেআউট। যেমন k= ক ,b= ব বা m=ম আসে। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত। কিন্তু লিনাক্সে বিজয় ব্যবহারের উপায় নেই। তবে আপনি unijoy লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন। যেটি একুশের তৈরী। এই লেআউটটি বিজয়ের খুব কাছাকাছি তাই বিজয় ব্যবহার করে থাকলে এটি ব্যবহারে সমস্যা হবেনা। তবে ছোট পার্থক্য হচ্ছে এতে অক্ষরের পরে ে=কার , ৈ=কার ,ো=কার বা ি=কার দিতে হয়। অর্থাৎ আমরা হাতে লেখার সময় যেমনটি লেখি।

    যেমন “কেমন” লেখতে আগে ক=ে=ম=ন

    বা কোথায়” ক=ো=থ=া=য় এভাবে

    এখন লিনাক্সে যারা ফোনেটিক লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত না বা স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না তারা এই লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন।

    তাদের http://ekushey.sourceforge.net/ সাইট থেকে লেআউটটির উইন্ডোজ ভার্সনটি ট্রাই করতে পারেন।

    আর লিনাক্সে ব্যবহারের পদ্ধতি বলছি।

    আমি বর্তমানে OpenSuse 10.1 ব্যবহার করছি এবং Gnome ডেক্সটপ ব্যবহার করছি।

    এবার দেখাযাক কিভাবে ইউনিজয় লেআউট ইনস্টল করলামঃ -

    প্রথমে Gnome প্যানেলের Desktop মেনু থেকে YaST Control Center এ ক্লিক করে (বা খুজে দেখুন এটি কোথায় আছে kde ব্যবহার করলে) YaST Control Center চালু করুন।

    চিত্রঃ YaST Control Center

    চালু করলে YaST Control Center উইন্ডো থেকে ” Software Management ” এ ক্লিক করুন তাহলে ” Software Management ” উইন্ডো তে ইন্সটলড আনইন্সটলড সকল সফটওয়্যারের লিস্ট দেখতে পাবেন।

    চিত্রঃ YaST Software Management

    এবার ” Filter: ” থেকে ‘Search’ সিলেক্ট করুন তারপর scim লিখে সার্চ করুন। দেখুন scim প্যাকেজটি ইনস্টল করা আছে কিনা।
    ইন্সটল করা থাকলে বা পাশে টিক চিহ্ন দেখাবে। না করা থাকলে টিকমার্ক দিয়েদিন। তারপর নিচের Accept বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার সুসির সিডি বা ডিভিডি হাতের কাছে রাখুন এগুলো এখন লাগবে। সিডি/ডিভিডি ঢুকিয়ে সেগুলো ইস্টল করুন।

    এবার আবার Software management এ ফিরে আসুন।

    চিত্রঃ Bangla Language

    এবার ” Filter: ” থেকে “Language” সিলেক্ট করুন তাহলে অনেকগুলো language সহ ” bn Bengali ” দেখতে পাবেন। সেটি সিলেক্ট করুন তবে ডানে ৫টির মত প্যাকেজ দেখতে পাবেন সবগুলো সিলেক্ট করুন বা ” bn Bengali ” তে টিকমার্ক দিন। এখানে ’scim-m17n’ মূল। এবার আবারো আগের মত “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।

    চিত্রঃ Accept

    এবং সেগুলো সিডি বা ডিভিডি থেকে ইনস্টল করে নিন।

    এখন আপনার ‘Gnome pannel’ বা taskbar যাকে বলে তাতে ছোট একটা কিবোর্ড আইকন দেখতে পাবেন। যদি তা দেখতে না পান তবে Application menu থেকে system> configuration> SCIM input mathod setup এক্লিক করুন।

    চিত্রঃ SCIM input mathod setup enable taskbar icon

    এখন বামের Panel>GTK তে ক্লিক করে Mics এর আন্ডারে ’show tray icon’ এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তবে প্যানেল কিবোর্ড আইকনটি দেখতে পাবেন। হয়তো বা রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

    চিত্রঃ SCIM input mathod setup select unijoy layout

    এবার SCIM input mathod setup উইন্ডো থেকে বামের মেনু থেকে IMEngine>Global Setup>

    এ ক্লিক করে যেই “Bengali” দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করে ‘M17N-bn-unijoy’ সহ দুটোতেই টিকমার্ক দিয়ে দিন।

    এবার যখনই কোন এডিটরে বা কোথাও লেখার কাজ করবেন তখন taskbar থেকে সেই কিবোর্ড আইকনে ক্লিক করে লিস্ট থেকে

    Bengali থেকে unijoy সিলেক্ট করুন এবং স্বাচ্ছন্দে লেখুন

    বা ctrl+ space দিয়েও লেআউট পরিবর্তন করতে পারেন।

    আর আপনি উবুন্ট লিনাক্স ব্যবহার করে থাকলে অমিআজাদের ( একুশেরই একজন ডেভলপার ) ব্লগের এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারেনঃ

    লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

    লিনাক্সের সব এ্যপ্লিকেশনে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার