• Protect your password from keyloggers

    কি লগার হতে আপনার পাসওর্য়াড কে রক্ষা করুন

    কি – লগার (Keylogger) কি?

    কি লগার হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যেটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকলে আপনি কি-বোর্ডে কি’ গুলো প্রেস করে কম্পিউটারে যা যা লিখছেন তা সেই প্রোগ্রামটি সংরক্ষন করে রাখবে আপনার অজান্তে। কি লগার হচ্ছে সবচেয়ে নিম্নস্তরের হ্যাকিং । কি লগার ব্যবহারের জন্য বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন পড়েনা। এটি কারো ইমেইল এ্যাড্রেস বা অন্যান্য এ্যাকাউন্টের ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করার সহজ পদ্ধতি ।

    আচ্ছা ধরুন আপনি সাইবার ক্যাফেতে ব্রাউজিং করছেন। আপনি হয়তো জানেনও না যে যেই পিসিতে বসে আপনি ব্রাউজিং করছেন তাতে কেউ পূর্বেই কি-লগার ইনস্টল করে রেখে গেছে। এখন ধরুন আপনি http://mail.yahoo.com এ গেলেন এবং ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করলেন । তৎক্ষনাত কি লগার টি আপনি যা যা টাইপ করেছিলেন সব রেকর্ড করে ফেলছে । ভয়ংকর তাইনা । এখন আপনি বলতে পারেন ঠিকআছে আমি কি বোর্ড দিয়ে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড লিখবো না উইন্ডোজের অনস্ক্রিন কিবোর্ড ব্যবহার করবো।
    (Start > All Programs > Accessories > Accessibility > On-Screen Keyboard ) তবে জেনেনিন কি লগারটি সেটিও রেকর্ড করে ফেলবে (আমি পরিক্ষা করে দেখেছি) এছাড়াও প্রায় কি-লগার গুলোতে স্ক্রিনশট ফাংশনালিটি রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে বা নির্দিষ্ট সময় পরপর কি-লগারটি ডেক্সটপের স্ক্রিনশট তুলে রাখে ফলে হ্যাকার এটিও জানতে পারবে আপনি ডেক্সটপে কি কাজ করছিলেন , কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন , ইউজারনেম বক্সে কি লেখা আছে , পাসওয়ার্ড এর ঘরে কালো বিন্দু গুলোর সংখ্যা কয়টি ( যা পরবর্তীতে লগ হতে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কে আলাদা ভাবে বুঝতে সহায়তা করে)

    আমি একসময় কি-লগার ব্যবহার করেছিলাম এবং অনেকগুলো ইমেইল / অন্যান্য এক্যাউন্টের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড পেয়েছিলাম।

    ( পরবর্রিতে বোরিং লাগায় ছেড়ে দিয়েছি)

    যা হোক এ বিষয় সম্পর্কে জানার পর আমার মনেও সঙ্কা জাগে যে আমি যেমন করছি তেমনি অন্য কেউ তো কি-লগার ব্যবহার করে আমার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে। আমি মরিয়া হয়ে এর সমাধান খোঁজা শুরু করলাম এবং হয়তো কিছুটা সমাধান ও পেয়ে গেছি। সেটি নিয়েই আজকে ব্লগে লেখা।

    যা যা প্রয়োজন :

    ক.) ১২৮ মেগাবাইটের একটি পেনড্রাইভ
    খ.) ফায়ারফক্স পোর্টেবল

    ফায়ারফক্স পোর্টেবল হচ্ছে ফায়ারফক্সেরই পোর্টেবল ভার্সন। অর্থাৎ এটি পেনড্রাইভে ইনস্টল করা হলে যে কোন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ হতে ফায়ারফক্স চালানো যাবে , ইনস্টল করার প্রয়োজন পড়বে না।
    এটি পাওয়া যাবে এখান থেকে : http://portableapps.com/apps/internet/firefox_portable

    ফায়ারফক্স পোর্টেবল টি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করার পর প্রোগ্রামটি রান করে ব্রাউজ করে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে দিন। তারপর Install বাটনে ক্লিক করুন। ফায়ারফক্স পোর্টেবল আপনার পেনড্রাইভে ইনস্টল হওয়া শুরু করবে। পোর্টেবল ফায়ারফক্স অনুমানিক ২০ মেগাবাইটের মত যায়গা নেবে। বাকি ফ্রি স্পেস ব্যবহার হবে Cache ফাইল সংরক্ষনের জন্য (আপনি ওয়েবসাইট ভিজিট করলে ইমেজ, কুকি , ফ্ল্যাশ ফাইল ইত্যাদি লোকাল ডিস্কে সংরক্ষিত হয় এগুলোই ক্যাশ ফাইল)

    আগেই বলে নেই আমরা ফায়ারফক্সের “পাসওয়ার্ড ম্যানেজার” ফিচার টি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড কে কি-লগারের হাত হতে রক্ষা করব। যদিও এটি খুব সহজ বিষয় তবুও যারা এ সম্পর্কে জানেননা তাদের জন্য এই টিউটোরিয়াল।

    এখন আপনার পেনড্রাইভ থেকে FirefoxPortable ফোল্ডারে গিয়ে FirefoxPortable.exe রান করুন।ফায়ারফক্স পোর্টেবল এর স্প্ল্যাশ স্ক্রিন দেখাবে এবং ফায়ারফক্স চালু হবে। খেয়াল রাখবেন এই ফায়ারফক্স পেনড্রাইভ থেকে রান হচ্ছে তাই এটি মূল ফায়ারফক্স থেকে কিছূটা স্লো চালু হতে পারে তবে usb 2.0 হলে হয়তো বা পারফরমেন্স ভালো হতে পারে। এখন ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ আছে এবং আপনার পিসিতে কিলগার নেই আপনি নিশ্চিত । এবার আপনার গুরুত্বপূর্ন ওয়েবসাইট টি ব্রাউজ করুন পোর্টেবল ফায়ারফক্স থেকে। ধরুন আপনি ইয়াহু মেইল বা জিমেইলে লগইন করবেন। এখন ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। এবার সাইন ইন বা লগইন বাটনে ক্লিক করলে একটি পপআপ ম্যাসেজ আসবে যে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড ফায়ারফক্সের পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে সেভ হবে কিনা।

    pic1.jpg

    চিত্রঃ – ১

    এখান থেকে “Remember” বাটনে ক্লিক করুন তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে তা সংরক্ষিত হবে। সংরক্ষিত হয়েছে কিনা তা আপনি দেখতে পারেন
    Tools > Options > থেকে Security ট্যাবে গিয়ে

    pic2.jpg

    চিত্রঃ – ২

    Show Passwords.. এ ক্লিক করুন। তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার দেখতে পাবেন

    pic3.jpg

    চিত্রঃ – ৩

    এখানে সাইট কলামে সাইটের এ্যাড্রেসটি , ইউজারনেম কলামে সেই সাইটে ব্যবহৃত ইউজার নেমটি এবং পাসওয়ার্ড কলামে পাসওয়ার্ড টি দেখতে পাবেন।

    এখন থেকে যখন ই আপনি উক্ত সাইট টি ভিজিট করবেন সেই পেজের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে অটোমেটিক আপনার সংরক্ষিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকবে। আপনাকে কোনকিছু টাইপ করতে হবেনা তাই পাসওয়ার্ড যখন টাইপ’ই করছেন না তখন কি-লগার রেকর্ড করবে কি??  তবে একই এড্রেস বা সাইটের জন্য একের অধিক ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড সংরক্ষিত থাকলে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড বক্স খালি থাকবে। আপনাকে নির্দিষ্ট ইউজারনেমটি টাইপ করতে হবে এবং পাসওয়ার্ড বক্সে এক ক্লিক করলে সেই ইউজারনেমের সাথে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডটি অটোমেটিক চলে আসবে।তবে এক্ষেত্রেও কি-লগার ইউজারনেম রেকর্ড করতে পারলেও পাসওয়ার্ড রেকর্ড করতে পারবেনা। তাছাড়াও কি-লগার স্ক্রিনশট তুললেও আপনার ইউজারনেমটিই দেখতে পারবে পাসওয়ার্ড নয়। ফলে আপনার পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত থাকবে। এক্ষেত্রে অনুরোধ রইলো পাসওয়ার্ড এমন রাখবেন যা ইউজারনেম দেখে ধারনা করা না যায়।

    আর কেউ যাতে আপনার পেনড্রাইভ থেকে আপনার সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড দেখতে না পারে এ জন্য Options > Security Tab থেকে Use master password এ ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখুন। ফলে কেউ পাসওয়ার্ড ম্যানেজার খুলে ইউজারনেম দেখতে পেলেও মাস্টার পাসওয়ার্ড ছাড়া পাসওয়ার্ড দেখতে পারবে না।

    আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সের মজা হচ্ছে আপনি এটি পেনড্রাইভে বহন করে নিতে পারছেন এবং সবচেয়ে অসুরক্ষিত পিসি (সাইবার ক্যাফের পিসি) তে বসে নিশ্চিন্তে আপনার প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট গুলো ব্রাউজ করতে পারছেন।


  • Just A Kiss and download youtube video

     

    কি হেডলাইন দেখে ভড়কে গেলেন । ব্যাপারটা কিন্তু সত্য । আপনি চুম্মা দিয়ে ডাউনলোড করতে পারেন ইউটিউব ভিডিও ।

    এই সুবিধা দিচ্ছে http://www.kissyoutube.com/

    এর মাধ্যমে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে বেশী কিছু করতে হবেনা। শুধু সেই ভিডিওর লিন্কটিতে youtube.com
    এর আগে kiss শব্দটি জুড়ে দিতে হবে। (মনে রাখবেন এ্যাড্রেসবারে যেই লিন্কটি আছে সেই লিন্কটির সাতে যুক্ত করতে হবে শব্দটি)

    যেমন ধরুন এই ভিডিওটি পূর্বেঃ

    http://www.youtube.com/watch?v=5K6PS545hjo

    আপনি দিলেন http://www.kissyoutube.com/watch?v=5K6PS545hjo

    ব্যাস তারপর যেই নতুন পেজ আসবে তাতে নীচে “Download Now” তে ক্লিক করে ফাইলটি সেভ করতে হবে।সেভ করার পর
    ফাইলটিকে রিনেম করে .flv এক্সটেনশন যাক্ত করতে হবে। যেমনঃ get_video.flv .

    kissyoutube.jpg

    তারপর flv ভিডিও চালাতে সক্ষম এমন প্লেয়ার দিয়ে ভিডিওটি উপভোগ করুন।

    http://www.wimpyplayer.com/products/wimpy_standalone_flv_player.html

    http://www.bitcomet.com/tools/index.htm

    http://www.rivavx.com/


  • How to apply bangla language in wordpress

    আপনি যদি আপনার ওয়েবসার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করে থাকেন ( ইন্সটলেশন গাইড ) তবে আপনি চাইলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে অন্য কোন ভাষা বা বাংলা ভাষা ব্যবহার করতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেসের ইন্টারফেসের বিভিন্ন ভাষার ট্রান্সলেশনে ব্যবহৃত হয় .PO(Portable Object) এবং .MO(Machine Object) ফাইল। এই ফাইল গুলো হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসের Language ফাইল। এতে ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহৃত শব্দগুলো ইংরেজীতে দেয়া আছে। যা .po ফাইলের জন্য বিশেষ কিছু এডিটর দিয়ে অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা যায়।এমন একটি এডিটর হচ্ছে poEdit ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে। ওয়ার্ডপ্রেসের অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ ফাইল wordpress.pot ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে ।

    পো -এডিট সম্পর্কে বিস্তারিত পরে বলব। এখন শুধু জানাবো এই লোকালাইজড বা অনুবাদকৃত ফাইলগুলো কি করে আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহার করবেন।

    http://codex.wordpress.org/WordPress_in_Your_Language

    এখানে বিভিন্ন ভাষার ওয়ার্ডপ্রেস ল্যাঙগুইজ ফাইল আছে। সেখানে Bangla – Bengali নামে বাংলা WordPress Language ফাইলের জন্য লিন্ক দেখতে পাবেন। হ্যা ওয়ার্ডপ্রেস কে মেঘদূত নামের প্রজেক্টে বাংলায় লোকালাইজ করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রথম লিন্ক Bengali localization of wordpress. Project Code: Meghdut ক্লিক করুন তাহলে দুটো ফাইল দেখতে পাবেন bn.mobn.po
    এদুটোই ওয়ার্ডপ্রসের বাংলা Language ফাইল। bn.mo হচ্ছে কম্পাইলকৃত language ফাইল যেটা আমরা ওয়ার্ডপ্রেস কে বাংলায় দেখতে ব্যবহার করবো , আর bn.po ও language ফাইল যেটা দ্বারা অনুবাদ করা হয়েছে এবং bn.mo ফাইল টি তৈরী করা হয়েছে।
    আপনি চাইলে poEdit দিয়ে bn.po ফাইলটি খুলে পূর্বে অনুবাদকৃত বাংলা গুলো পরিবর্তন করতে পারবেন।


    এবার আসা যাক বাংলা Language ফাইলটি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ইনস্টলেশন পর্বেঃ

    এখন এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসার্ভারে রাখা ওয়ার্ডপ্রেস ফাইল দেখুন। সেখান থেকে wp-includes ফোল্ডারে যান। সেখানে languages” নামে একটি ফোল্ডার তৈরী করুন। এবার সেই languages ফোল্ডারের ভিতরে bn.mo ফাইলটি কপি করুন।কপি হয়ে গেলে ওয়ার্ডপ্রেসের মূল ফোল্ডারে ফিরে আসুন। এবার সেখান থেকে wp-config.php ডাউনলোড করে ফাইলটি খুলুন ।

    / Change this to localize WordPress. A corresponding MO file for the
    / chosen language must be installed to wp-includes/languages.
    / For example, install de.mo to wp-includes/languages and set WPLANG to ‘de’
    / to enable German language support.
    define (’WPLANG’, ‘bn’);

    উপরোক্ত কোড দেখতে পাবেন সেখানে একটি লাইনে define (’WPLANG’, ”); কোড দেয়া থাকবে সেখানে ‘ ‘ এই দুটো মার্কের মধ্যে bn লিখে দিন।

    এক্ষেত্রে মনে রাখবেন আপনার language ফাইলনেম যদি হয় bn.mo বা en.mo তবে শূধু নামটাই bn উপরের কোডে উল্যেখ করতে হবে। এক্সটেনশন সহ নয়।

    এবার wp-config.php ফাইলটি সেভ করুন । তারপর আপনার সার্ভারে রাখা wp-config.php ফাইলের সাথে এই ফাইলটি রিপ্লেস করে দিন। ব্যাস কাজ হয়ে গেছে এবার আপনার ব্লগে বা লগইন করে এ্যাডমিনিস্টেশন প্যানেলে গিয়ে দেখুন বাংলা দেখতে পাচ্ছেন কিনা।

    উল্ল্যেখ্য সকল বাংলা অনুবাদ ইউনিকোডে করা হয়েছে।

    আমার লোকালসার্ভারে হোস্ট করা ওয়ার্ডপ্রেসের কিছূ স্ক্রিনশট দিলামঃ

    চিত্রঃ লগইন উইন্ডো

    চিত্রঃ ওয়ার্ডপ্রেস এডিটর

    চিত্রঃ অপশন

    চিত্রঃ ইউজারস্