• Harddisk Partitioning using Parted Magic

    হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং হচ্ছে আপনার হার্ডডিস্ক কে কয়েকটি ভাগ করা।অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার বুঝবে আপনার হার্ডডিস্কটি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত । এর ফলে আপনি একটি পার্টিশনে আপনার ওএস টি ইনস্টল করে অন্য পার্টিশনে রাখতে পারেন। Non-technical user বা যে সকল কম্পিউটার ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালনায় খুব একটা অভিজ্ঞ নয় তারা হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং ব্যাপারটাকে ভয় পেয়ে থাকে, এইবুঝি তাদের মুল্যবান ডাটা মুছে গেল। ব্যাপারটি লিনাক্স ইনস্টলের সময়ও ঘটে থাকে। যেমন লিনাক্সের জন্য ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। অনেকে হার্ডডিস্ক পার্টিশন করতে গিয়ে ভূল বসত নিজের ডাটাফাইল সমূহ মুছে ফেলতে পারেন। এক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব একটি ডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম হচ্ছে “নরটন পার্টিশন ম্যাজিক” তবে এটি ফ্রি নয়। তবে এমন একটি ব্যাবহার বান্ধব ফ্রি ও ওপেনসোর্স হার্ডডিস্ক পার্টিশনিং সফটওয়্যার রয়েছে যার নাম Gnome Partition Editor বা সংক্ষেপে “GParted“এটি বিভিন্ন ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন তৈরী করতে পারে ext2,ext3,fat16,fat32,hfs,jfs,linux-swap,ntfs,reiserfs,reiser4,xfs লিনাক্সের ক্ষেত্রে ext3 পার্টিশন তৈরী করতে হয়। আপনারা কেউ যদি পূর্বে উবুন্টুলিনাক্স ইনস্টল করে থাকেন তবে ইনস্টলের সময় যে হার্ডডিস্ক পার্টিশন টুল ব্যবহার করা হয় সেটি হল “GParted“। আর এই “GParted” এর উপর ভিত্তি করে আরেকটি ডিস্ক পার্টিশন টুল তৈরী হয়েছে যার নাম হল ”

    Parted Magic
    Read the rest of this entry »


  • মু্ক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে পরিকল্পনা

    আজ আমি যে বিষয় নিয়ে লিখছি সেটি আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে। বেশ কিছুদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ভাবছিলাম। একমাত্র তাদের জন্যই আজ আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন মাটিতে দাড়িয়ে আছি , দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে জীবন মৃত্যুর চিন্তাভাবনা না করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়া অনেক বড় ব্যাপার। অথচ তারা রক্ত দিয়ে জীবন দিয়ে যে বাংলাদেশকে পাবার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমরা কি তাদের সেই বাংলাদেশ দিতে পেরেছি!!?? তারা দেশ কে স্বাধীন করে গেছেন কিন্তু সেই দেশ কে এগিয়ে নিয়ে যাবার দ্বায়িত্ব পরবর্তী প্রজন্মের। স্বাধীনতার প্রায় ৩৭ বছর পার হতে চলল……এরমধ্যে কিছূ কিছূ ঘটনা ঘটে গেছে যা যারা দেশকে ভালোবাসে তাদের জন্য তা পীড়াদায়ক। দূর্নীতিতে আমরা চ্যাম্পিয়ন, আরও পীড়াদায়ক আমাদের দেশের মানুষই অন্যের উসকানিতে গার্মেন্স শিল্পের মত বৃহৎ শিল্পকে ধ্বংষের পায়তারা করেছিল একসময়। একাধারে বিভিন্ন গার্মেন্টসে ভাংচুর করা ভুলে যাননি নিশ্চয়। আজ একাত্তুরের রাজাকারেরা বুকচিতিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে গৃহযুদ্ধ বলে। মুক্তিযোদ্ধারা বুঝতে পেরেছেন যে যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি। আমাদের প্রজন্মের এখন উচিত তাদের পাশে এসে দাড়ানো।

    এখন আসি মূল বিষয়ে। আমি বেশ কিছুদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে একটা কিছু করার পরিকল্পনা করছিলাম। পরিকল্পনাটা কিছুটা দাড় করানোর পর আজ ব্লগে লিখছি

    পরিকল্পনাটা হল আমার ইচ্ছা আছে দেশের ‘যত’ মুক্তিযোদ্ধা আছেন তাদের ব্যাক্তিগত ভাবে সাক্ষাতকার নেয়া। তারা কিভাবে সাধারন একজন মানুষ থেকে মুক্তি যোদ্ধা হলেন, যুদ্ধ করলেন , দেশ স্বাধীন করলেন , দেশের মানুষের প্রতি তার কি বলার আছে এগুলোর ভিডিও করে সাক্ষাতকারটি সংরক্ষন করা। এভাবে একে একে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে গিয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী তাদের জীবনের কাহিনী, তারা এখন কেমন আছেন এসকল বিষয় ভিডিও করে তা যথাযথ ভাবে সংরক্ষন করা।

    এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য:

    ১) দেশের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জীবন কাহিনী ক্যামেরার ফ্রেমে বন্ধী করা

    ২) আমরা বা আমাদের সন্তানেরা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিভাবে জানছি? বই পড়ে, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে গিয়ে…
    তবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম যদি মুক্তিযুদ্ধের কথা স্বয়ং একজন মুক্তি যোদ্ধার কাছ থেকে শুনতে পারে জানতে পারে তাহলে তারা মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কে আরো ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে পারবে। আমার মনে হয় এর মাধ্যমে শৈশব থেকেই তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের মনোভাব সৃষ্টি করা যাবে।

    ৩) আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বের কাহিণী দেশের মানুষের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের কাছে তুলে ধরা যাবে।

    সাক্ষাৎকার নেয়ার পর পরবর্তী পরিকল্পনা গুলো হল

    ১) সাক্ষাতকারের ভিডিও গুলো যথাযথ সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা।

    ২) ভিডিও সংগ্রহের পর বক্তব্যগুলোর ইংরেজী সাবটাইটেলের ব্যবস্থা করা । যাতে ভিন্ন ভাষাভাষীর বা বহির্বিশ্বের মানুষ আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বের কাহিনী জানতে পারে।

    ৩) সাক্ষাৎকারের ভিডিওকে সিডি আকারে প্রকাশ করা বা দেশের মানুষকে তা দেখানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা। এক্ষেত্রে কোন অর্থ প্রাপ্ত হলে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যানের কাজে ব্যায় করা হবে।

    ৪) সিডির পাশাপাশি এই ভিডিও ইন্টারনেটে ও ছাড়া যেতে পারে যাতে বিশ্বের যেকোন স্থানে বসেই এই ভিডিও সংগ্রহ করা যায়।

    এই হল এতদিন ভেবেচিন্তে করা আমার পরিকল্পনা। এখন এব্যাপারে আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রাইলাম……..

    ধন্যবাদ
    __________


  • Kuakata vromon

    অনেকদিন ধরে ব্লগে লিখিনা, আসলে ব্যাস্ততার কারনে লিখা হয়নি। তবে এখন থেকে নিয়মিত লিখার চেষ্টা করবো।কয়েকদিন আগে বরিশাল কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়েছিলাম family সাথে। সবরকম ব্যবস্থা করেছিলেন আমার এক আংকেল। আসলে এর মধ্যেই হয়ে গেল আমার জীবনের প্রথম লঞ্চ ভ্রমন এবং সরাসরী সমূদ্র দেখা। গিয়েছিলাম পারাবাত-১১ লঞ্চে তবে পারাবাত – ৭ আর সুন্দরবন – ১১ খুব হাইফাই লঞ্চ। যা হোক রাতে রওনা দেয়ায় নদী ঠিকমত দেখা হয়নি। তবে লঞ্চে সারারাত ঘুমাইনি। লঞ্চের ডেকে বসে সারারাত মজা করেছি। আমরা ছিলাম ভিআইপি কেবিনে, তবে লঞ্চের নীচ তলায় শুয়ে শুয়ে যাবার মজাই আলাদা।

    সকালে পৌছাইলাম বরিশালে। সেখানে আংকেলের ডাক বাংলোয় কিছুক্ষন রেস্ট নিয়ে মাইক্রোতে রওনা দিলাম কুয়াকাটার উদ্দ্যেশ্যে। প্রায় ১০০ কিমি দূরত্ব মনেহয়। আর রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। এই দূরত্বের অর্ধেকের বেশী রাস্তাই ভাঙ্গাচোরা। ঝাকি খেতে খেতে পেটের খাবার বের হওয়ার উপক্রম। তাই বলেরাখি কেউ গেলে রাস্তাঘাটের এই অবস্থা মোকাবেলা করার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে যেতে হবে নাহলে তা আপনার ভ্রমনের মজা নষ্ট করে দিতে পারে। প্রায় সাড়ে চার ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে পাচটি ফেরী পার হয়ে অবশেষে পৌছালাম কুয়াকাটা সি-বীচে । হোটেলে গিয়ে ক্লান্তি দূর করতে সোজা সমূদ্রে ডুব দিলাম। অনেক মজা হল। সাতার জানিনা তবে জোয়ার চলছিল বলে বুক পানি পর্যন্ত নেমেছিলাম। সমুদ্রের লবনাক্ত আয়োডিন যুক্ত লবন পানি খেয়ে মনে হল বুদ্ধি বাড়ছে :)

    কুয়াকাটা এমন একটা যায়গা যেখানে সমূদ্রের তীরে দাড়িয়ে বাম দিক থেকে সূর্যদয় এবং ডান দিকে সূর্য অস্ত যেতে দেখতে পারবেন। আমি দুটোই দেখেছি। তবে সমূদ্রে তেমন কোন ভিড় দেখলাম না। আসলে যাতায়াত ব্যবস্থার তেমন ভালো সুবিধা না থাকায় হয়তো পর্যটক দের কাছে এটি তেমন জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি। রাতের দিকে আবারো সী-বিচে গিয়ে ছিলাম। কি অসাধারন বাতাস আর সমূদ্রের গর্জন আর আকাশে তারার মেলা যেন একেবারে খাটি রোমান্টিক যায়গা :)

    পরদিন সকালে উঠে রাখাইন বৌদ্ধ মন্দির দেখতে বের হলাম। এটি নাকি এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মুর্তি, পুরনোও বটে। সী-বীচ থেকে কয়েক কিলোমিটার দুরে এটি, ভ্যানে যেতে আপডাউন ভাড়া ২০০ টাকা। নীচে ছবি দিয়েছি মুর্তি টার। দেখার মত সমুদ্র আর এই বৌদ্ধ মূর্তিই দেখেছি। কেউ যদি এখানে দেখার মত আরো কিছু যায়গার কথা বলতে পারেন তবে ভালো হয়। ভ্রমন শেষে রওনা দিলাম ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে স্টিমারে করে রাতে। সেদিন সম্ভবত ঢাকায় ঝড়তুফান হয়েছিল। আমরা নদীর মোহনায় ছিলাম। তখন হঠাৎ জোরে বাতাস বইতে শূরু করে। বাতাস এমন জোরে হচ্ছিল যে স্টিমারের ডেকের দুটা চেয়ার এবং আমার কাজিনের একটি সেন্ডেল উড়িয়ে নিয়েযায়। আমরা তাড়াতাড়ি কেবিনে চলে এলাম। আমাদের মা খালারা তো তসবিহ্ গনা শুরু করেছে। তবে পরে বাতাস থেমে বৃষ্টি হওয়া শুরু করে, যাক জানে বাচলাম।

    এই হইলো গিয়া কুয়াকাটা ভ্রমন কাহিনী। নীচে কিছূ ছবি দিলাম দেখেন। ছবি অনেক গোলো তুলেছি কিন্তু নীচের ছবি গুলা পছন্দ হয়েছে। আমার ফটোগ্রাফির চোখ ছে মনে হয়। :)

    ছবি:

    শুটকি মাছ, উফ্ গন্ধ

    বাচ্চা আনারস অনেক পুরোনো বৌদ্ধ মন্দির সী-বিচ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। �্যানে আপডাউন ২০০ টাকা জানামতে এটি এশিয়া অঞ্চলের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি


  • Flock blog editior setup

    test……………………….Flock Rock’s বাংলা কম্পিউটিং


  • Joomla CMS installation guide in bangla

    জুমলা হচ্ছে একটি Content Management System বা সংক্ষেপে CMS । সিএমএস হচ্ছে এমন একটি সিস্টেম যা দ্বারা কন্টেন্ট তৈরী এবং তা ম্যানেজ করা যায়। যেমন ধরুন জুমলায় আপনি কোন লেখা , আর্টিকেল আপনার জুমলার হোমপেইজে প্রকাশ করবেন। এখন সেই লেখা বা অর্টিকেলটি হচ্ছে কন্টেন্ট আর লেখাটি কোথায় বসবে , এডিট করে পরিবর্তন করা , মুছে ফেলা ইত্যাদিকে ম্যানেজ করা বলে। জুমলা দিয়ে যেহেতু এমন কাজ করা যায় তাই জুমলাও একটি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি ফ্রি এবং ওপেনসোর্স এবং GPL লাইসেন্সের আওতায় ব্যবহার করা যায়।

    ইনস্টলেশন

    সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট

    + PHP ভার্সন4.1.2 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন
    + MySQL ভার্সন 3.23.x বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন এবং কমপক্ষে ১টি MySQL ডেটাবেজ ( তবে দুটি হলে ভালো হয়)
    + Apache ভার্সন1.13.19 বা এর চেয়ে নতুন ভার্সন

    মনে রাখতে হবে PHP র জন্য MySQL , XML , Zlib (এই লাইব্রেরি টি পিএইচপি কে কমপ্রেসড Zip আর্কাইভ হতে ফাইল পড়তে সহায়তা করে ) এর সাপোর্ট থাকতে হবে। আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে এ ব্যাপারে জেনে নিন। তবে জুমলা ইনস্টলেশনের সময় জুমলা এগুলোর সাপোর্ট আছে কিনা দেখাবে । না থাকলে আপনি জানতে পারবেন ইনস্টলেশনের শুরুতেই। আর জুমলা লিনাক্স ভিত্তিক সার্ভারে ইনস্টল করার পরামর্শ দেব।

    পূর্ব প্রস্তুতি

    # FTP এর মাধ্যমে ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করা জানতে হবে।
    # Mysql ডেটাবেজ তৈরী করা জানতে হবে
    # Mysql ডেটাবেজ এর Host Name জানুন এবং সে সম্পর্কে নিশ্চিত হোন । প্রয়োজনে হোস্টিং প্রোভাইডারের সহায়তা নিন।
    # Mysql ডেটাবেজ এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড মনে রাখুন ।
    #FTP Hostname,Username,Password জানা থাকতে হবে।

    আসুন আমরা প্রথমেই জুমলার জন্য একটি ডেটাবেজ তৈরী করে ফেলি। এটি ইনস্টলেশনের পূর্বেই করতে হবে। আমি এখানে XAMPP ওয়েবসার্ভার ব্যবহার করছি যেখানে Mysql ডেটাবেজ এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin ব্যবহার করা হয়, তবে লিনাক্স ভিত্তিক ওয়েবসার্ভার গুলোতে মাইএসকিউএল এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য phpMyadmin এর আধিপত্যই লক্ষ করা যায় ।

    নীচের চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন পিএইচপি ম্যাই এ্যাডমিন দ্বারা আমি joomla নামে একটি নতুন ডেটাবেজ তৈরী করেছি।

    এখানে MySQL connection collation:utf8 unicode ci দেয়াই ভাল । এখানে Create new database এ আপনি জুমলার জন্য যেই ডেটাবেজ ব্যবহার করবেন তার নাম দিয়ে দিন্ তারপর Create এ ক্লিক করলে উক্ত ডেটাবেজটি তৈরী হয়ে যাবে এবং পাশের সাইডবারে দেখাবে। এখানে joomla(0) দেয়া আছে কারন এই ডেটাবেজটি এখনো ব্যবহার করা হয়নি। তাই এতে কোন এন্ট্রি না থাকাতে 0 দেখাচ্ছে। আর উপরে যে “localhost” দেখছেন সেটি হচ্ছে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name । এটির কথাই পূর্বে বলেছিলাম। অতএব আপনাকে Mysql ডেটাবেজ এর Host Name , username এবং password সম্পর্কে জেনে রাখা লাগবে।


    চিত্রঃ ১ PHPMyadmin

    এবার চলুন জুমলা ডাউনলোড করে ফেলি । এখানে জুমলার সবগুলো ভার্সন আছে । আপনার পছন্দ অনুযায়ী কোন একটি ডাউনলোড করে নিন। তবে জুমলার সর্বশেষ স্টেবল ভার্সনটি হচ্ছে 1.0.13 এটিও ডাউনলোড করতে পারেন। ডাউনলোডিং এর সময় দেখবেন
    তিনটি আর্কাইভঃ

    ১. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.gz
    ২. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.tar.bz2
    ৩. Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip

    আপনি লিনাক্স ব্যবহারকারী হলে প্রথমটি বা দ্বিতীয় টি ডাউনলোড করতে পারেন বা উইন্ডোজ ব্যবহারকারী হলে Joomla_1.0.13-Stable-Full_Package.zip ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

    ডাউনলোড করার পর ফাইলটি এক্সট্রাক্ট করুন কোন আর্কাইভার দিয়ে।

    এক্সট্রাক্ট বা আনকমপ্রেসের পর ফোল্ডারটির নাম joomla দিয়ে দিলাম। ফোল্ডারের ভেতর ঠিক এরকম ফাইল সমূহ দেখাবে।

    চিত্রঃ ২ জুমলা ফাইল

    এখন এই ফাইল গুলো কে কপি করে কোন এফটিপি সফটওয়্যার দিয়ে তা আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করতে হবে। তার আগে বলে নেই আপনার ওয়েবসাইটে যদি পূর্ব থেকেই ওয়েবপেজ থেকে থাকে তবে উপরের ফাইলগুলোকে আমার মত একটি ফোল্ডারে রেখে আপলোড করতে পারেন । বা যদি উক্ত ওয়েবসার্ভার কে শুধূ জুমলা সাইটের জন্য ব্যবহার করতে চান তবে শুধূ উপরের ফাইল গুলোকে কপি করে ওয়েব সার্ভারের রুট ফোল্ডারে (এফটিপিতে লগইনের পর যেই ফোল্ডার দেখা যায়) পেষ্ট করতে হবে। আপনি এজন্য পছন্দমত এফটিপি ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে পারেন। এখানে আমি ব্যবহার করেছি FileZilla FTP Client 3.0 ব্যবহার করেছি।


    চিত্রঃ ৩ এফটিপি এ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য প্রদান

    এখন আপনার এফটিপি ক্লায়েন্ট চালু করে নতুন এ্যাকাউন্ট তৈরী করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিন যেমন Ftp hostname (জেনেনিন আপনার হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছ থেকে) , Username , Password দিয়ে। তারপর লগইন করুন ।

    এফটিপি সার্ভারে লগইনের পর আপনার ওয়েবসার্ভারের রুট ফোল্ডার দেখাবে এবং ফাইল সমূহ দেখাবে।

    চিত্রঃ ৪ এফটিপি সার্ভারে লগইন করার পর

    এখান থেকে আপনি যেকোন ফাইল ডিলিট করতে পারেন মুভ করতে পারেন এবং ফাইলের Permission পরিবর্তন করতে পারেন।
    এখন আমরা যে জুমলার ফাইলগুলো joomla নামে একটি ফোল্ডারে রেখেছিলাম তা এখন ওয়েবসার্ভারে কপি করব।

    চিত্রঃ ৫ ট্রান্সফার টাইপ বা মোড Ascii তে পরিবর্তন

    তবে কপি করার আগে একটি গুরত্বপূর্ন বিষয় পিএচপির মত ওয়েবস্ক্রিপ্ট বা কোড ফাইল গুলো অবশ্যই এফটিপিতে Ascii মোডে আপলোড করতে হবে। Binary মোডে করা যাবেনা । নতুবা স্ক্রিপ্ট গুলো কাজ করবে না। এই অপশনটি এফটিপি ক্লায়েন্ট গুলোর সেটিংস বা প্রেফারেন্স অপশন হতে পাওয়া যেতে পারে আপনি খূজে দেখুন এবং তা Ascii মোডে করে দিন। এবার জুমলার ফাইলগুলো আপনার ওয়েব সার্ভারে আপলোড করে ফেলুন(আমি joomla ফোল্ডারটিকেই আপলোড করে দিলাম)।
    আপলোড হয়ে গেলে এবার আপনার ওয়েবসাইটের url অনুযায়ী http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
    অর্থাৎ জুমলার ফাইল গুলোর মধ্যে installation ফোল্ডারে index.php ফাইলের সঠিক এ্যাড্রেস ব্রাউজারে টাইপ করে এন্টার দিন তবে নীচের মত Joomla web installer উইজার্ড এর প্রথম ধাপ pre-installation checkআসবে। এখানে জুমলা ইনস্টলের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলো উপস্থিত আছে কিনা দেখা হবে।

    চিত্রঃ ৬ জুমলা pre-installation check উইজার্ড

    উপরে যে লিস্ট দেখতে পাচ্ছেন এবং ডানের সবুজ রং এর দ্বারা বোঝানো হচ্ছে উক্ত বিষয় গুলির সাপোর্ট আছে। তবে এখানে একটা বিষয় আপনি যদি লিনাক্স সার্ভারে জুমলা ইনস্টল করেন তবে ৩ নং অংশে Directory and File Permissions Check: এ ডান পাশের স্টেটাস গুলি লাল রং এ দেখাতে পারে । এর অর্থ হচ্ছে আপনাকে উক্ত ফোল্ডার/ডিরেক্টরীর ফাইল পারমিশন পরিবর্তন করতে হবে। এটি এফটিপি ক্লায়েন্টের মাধ্যমেও করা যায় ।

    চিত্রঃ ৭ ফাইল পারমিশন পরিবর্তন

    তাই স্টেটাস লাল রং এ দেখা গেলে আপনার এফটিপি ক্লায়েন্টের ( FileZilla FTP Client 3.0 ) থেকে উক্ত ফোল্ডারগুলোর উপর রাইট ক্লিক করে File Attributes.. এ ক্লিক করে Owner permissions Read = Write = Execute এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তারপর http://www.yoursitename.com/joomla/installation/index.php
    পেজটি পূনরায় রিফ্রেশ করে দেখূন লাল লেখা গুলো সবুজ হয়েছে কিনা। তবে ফাইল পারমিশন পরিবর্তনের ক্ষেত্র্রে অহেতুক ঝুঁকি এড়াতে অভিজ্ঞ কারো সাহায্য নিলে ভালো হয়।

    এবার সব ঠিক থাকলে Next >> এ ক্লিক করে পরবর্তী ধাপে যান। license পেজ দেখে আবার Next >> এ ক্লিক করুন।

    এবার আসবে জুমলা ইনস্টলেশনের প্রথম ধাপ MySQL database configuration: এটিই গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

    চিত্রঃ ৮ ১ম ধাপ MySQL database configuration

    এখানে
    Hostname: আপনার MySQL database এর হোস্টনেম যেটা পূর্বেই জেনে রাখতে বলেছিলাম

    MySQL User Name: আপনার MySQL database এর ইউজারনেম

    MySQL Password: আপনার MySQL database এর পাসওয়ার্ড

    MySQL Database Name: এখানে সেই ডেটাবেজটির নাম দিতে হবে যেটি আমরা জুমলার জন্য ব্যবহার করব। মনে আছে তো আমরা জুমলা ইনস্টলের পূর্বেই joomla নামে একটি ডেটাবেজ তৈরী করে নিয়েছিলাম তাই ডেটাবেজটির নাম হুবহু এখানে উল্ল্যেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলি দেবার পর বাকি সবকিছু অপরিবর্তিত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন। তখনই জুমলার ডেটাবেজে জুমলার প্রয়োজনীয় এন্ট্রি ঢোকা শুরু হয়ে যাবে । তা শেষ হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপ আসবে।

    চিত্রঃ ৯ ২য় ধাপ জুমলা সাইটের নাম দিন

    এখানে আপনার জুমলার সাইটের জন্য একটি নাম দিতে হবে যা সাইটটির টাইটেল নেম হিসেবে এবং ইমেইলের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে । নামদিয়ে আবার Next >> বাটনে ক্লিক করুন।

    চিত্রঃ ১০ ৩য় ধাপ

    এবার আসবে ৩য় ধাপ। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস এবং admin paassword চাওয়া হবে। এখানে আপনার ইমেইল এ্যাড্রেস দিয়ে দিন যেটি এ্যাডমিন এর ইমেইল এ্যাড্রেস হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং Admin password এ মনে রাখতে পারবেন এমন পাসওয়ার্ড দিন । এই পাসওয়ার্ড টি পরবর্তী তে আপনার জুমলার এ্যাডমিন প্যানেলে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। বাকি অপশন গুলো অপরিবর্তীত রেখে Next >> বাটনে ক্লিক করুন ।

    চিত্রঃ ১১ ৪র্থ ধাপ ইন্সটলেশন সম্পন্ন

    এটিই শেষ ধাপ অর্থাৎ আপ্নার জুমলার ইনস্টলেশন শেষ হয়েছে এবং ব্যবহারের জন প্রস্তুত । এবার আপনাকে জুমলার installation
    ডিরেক্টরি/ ফোল্ডার কে মুছে ফেলতে হবে বা সার্ভার থেকে অন্যত্র সরিয়ে ফেলতে হবে। এখানে আপনাকে লগইনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য অর্থাৎ ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দেখানো হবে । চিত্রে উপরে View Site এ ক্লিক করলে জুমলার ডিফল্ট থিমে আপনার বহু আকাঙ্খিত জুমলা ওয়েবসাইটটি দেখতে পারবেন এবং Administration এ ক্লিক করলে লগইন পেজে চলে যাবেন।

    এবার চলুন জুমলা সাইটটি কেমন দেখা যাকঃ

    চিত্রঃ ১২ জুমলা হোমপেজ

     

    চিত্রঃ ১৩ জুমলা এ্যাডমিন প্যানেল


  • x264 a amazing video encoder

    H.264 বা MPEG-4 Part 10 হচ্ছে একটি অসাধারন ভিডিও কমপ্রেশন ফরমেট । এটি এমপিইজি – ২ থেকে অনেক স্বল্প বিটরেটেও এমপিইজি ২ মানের অর্থাৎ ডিভিডি কোয়ালিটির কাছাকাছি মানের  ভিডিও প্রদর্শন করতে পারে। যেখানে ডিভিডির আকার কয়েক গিগাবাইট সেখানে  সেই ডিভিডিকে MPEG-4 ফরমেটে Ripping করলে এর ভিডিও সাইজ হবে ৩০০ – ৬৫০ মেগাবাইটের মত এনকোডিং সেটিং’স এর ভিত্তিতে।সম্প্রতি এডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারেও H.264 সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।এই ফরমেটটির জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে কারন এটি ডিভিডি কোয়ালিটির সমমানের ভিডিও প্রদান করতে পারে কম বিটরেটে এবং ফাইল সাইজ স্বল্প আকারে হয় বলে। আমি টরেন্টে প্রায় ভিডিও ডাউনলোড করি তাই বলতে পারি যারা টরেন্টে ডিভিডি রিপড মূভি শেয়ার করে তাদের জন্য বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয় ফরমেট। ডিভিডি কে কমপ্রেস করে স্বল্প আকারে সংরক্ষনের জন্য Divx , xvid ইত্যাদি জনপ্রিয় হলেও H.264 বা MPEG-4 এর জায়গা ধীরে ধীরে দখল করে নিচ্ছে। এইতো কিছূদিন আগে হিমেশ রেশামিয়ার ফিল্ম AAP KA SUROOR (সাইটটিতে প্রথমে রেজিষ্টার করতে হবে টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য) ডাউনলোড করলাম । এর কোয়ালিটি দেখে আমি অভিভূত, চমৎকৃত। বিশ্বাস না হলে আপনি টরেন্ট ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।ডিভিডি ফিল্মটি  থেকে  এনকোড করা হয়েছিল x264 এনকোডার দিয়ে। আর শুধূ ভিডিও কোয়ালিটি থাকলেই তো হবেনা  অডিও কোয়ালিটিও ভালো হতে হবে । তাই অডিও এনকোডিং এর জন্য ব্যবহৃত হয় [url=http://www.apple.com/quicktime/technologies/aac/]Advanced Audio Coding (AAC)[/url] এনকোডিং method । এটি ডেভলপ করেছে MPEG group । এটি  AC3 ( বা Dolby Digital)  অডিওকে  এমন ভাবে  কমপ্রেস করে যাতে অডিও ফাইলের আকার ছোট হয় কিন্তু অডিও কোয়ালিটি থাকে অসাধারন মানের।ডাউনলোড

    ওহ বলা হয়নি x264 হচ্ছে ভিডিওকে H.264/MPEG-4 ফরমেটে এনকোড করার জন্য free software library. যেটি জিপিএল লাইসেন্সের আওতায় বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

    বলে রাখি  x264 আর H.264 দুটো পুরোপুরি এক বিষয় নয় H.264 হচ্ছে স্টেন্ডার্ড MPEG-4 ভিডিও ফরমেট আর x264 হচ্ছে ভিডিওকে সেই ফরমেটে রুপান্তরিত করার একটি এনকোডার । আর এপিইজি ৪ এর ফাইল ফরমেট এরকম হতে পারে shrek3.mp4 বা shrek3.mkv

    মূল সাইট : http://x264.nl/

    videolan.org

    তবে ডিভিডিকে x264 MPEG-4  এ এনকোড বা রিপিং করার জন্য একটি জনপ্রিয় GUI ফন্টএ্যান্ড হচ্ছে

    meGUI ডাউনলোড

    meGUI দিয়ে একটি ডিভিডি ভিডিওকে MP4 এর এনকোড করার জন্য এই টিউটোরিয়ালটি অনুসরন করুন

    ————————————- >>

    x264-Megui Guide.zip – 1.89 MB

    http://maxupload.com/3BAACE84

    ————————————- >>

    এবার আসুন x264 এনকোডেড ভিডিওর কোয়ালিটির কিছু নমুনা দেখি । আমি স্ক্রিনশট দিচ্ছিঃ

    Harry.Potter.And.The.Order.Of.The.Phoenix.2007.DVDRip.R5.PRO

    http://www.demonoid.com/files/details/1350606/21639240/

     Media info:

    [Codec] H264/AVC @ 710 Kbps
    [Encoder] x264 MeGUI 0.2.4.1039
    [Resolution] 720×288 @ A.R.2.55
    Runtime] 138 min
    [Size] 700 MB
    Audio Codec] AAC  32 kbps

    হিমেশ রেশামিয়ার
    Aap Ka Suroor (2007) [x264/AAC]

    http://exdesi.com/best-quality-aap-ka-t10093.html?p=65589

    Media info:

    Resulation: 640 X 304
    Bitrate: 456 Kbps x264
    FPS: 29.97 fps
    Audio: 48 kbps ACC
    Size:  Video : 405MB
    Audio : 42.6MB

    এ ফরমেটের ভিডিও যে সকল প্লেয়ার দিয়ে দেখা যাবে  VLC media player / KMPlayer

    লিনাক্সে এই H.264 / MP4 ভিডিও তৈরী করার সফটওয়ার হচ্ছে Avidemux

    এটি লিনাক্স উইন্ডোজ এবং ম্যাকের জন্য পাওয়া যায়। এর সাম্প্রতিক 2.4 Preview 2 ভার্সনে H.264 / MP4 ভিডিও ফরমেটের সাপোর্ট দেয়া হয়েছে।

    Avidemux ওপেন করে কোন ভিডিও ওপেন করুন্ তার পর বামপাশে

    Video: থেকে MPEG-4 AVC (x264) সিলেক্ট করুন।Configure এ ক্লিক করে প্রয়োজন মত কনফিগারেশন সেটকরুন। এবিষয়ে না জানা থাকলে করার দরকার নেই।

    Audio: এখান থেকে ACC (FACC) সিলেক্ট করুন Configure এ ক্লিক করে Bitrate: এ মোটামুটি কোয়ালিটির জন্য 56 দিন তবে ভালো কোয়ালিটির সাউন্ডের জন্য 96 দিতে পারেন সেটিই যথেষ্ট।

    এবার File > Save > Save video ক্লিক করে ভিডিওর নাম দিয়ে সাথে “.mp4″ এক্সটেনশন দিয়ে দিন তার পর Save এ ক্লিক করুন এনকোডিং শুরু হয়ে যাবে। এনকোডিং শেষ হলে মূল ভিডিওর ফাইল সাইজ আর mp4 ভিডিওর ফাইল সাইজ দেখুন। দুটো ভিডিওর কোয়ালিটি তুলনা করুন। mp4 ভিডিওর কোয়ালিটি আর সাইজ দেখে আপনি চমৎকৃত হবেন।

    আর ডিভিডি ” .vob ” ফাইলকে Avidemux দিয়ে ওপেন করার পূর্বে ভিডিওকে DVD Decrypter 2 3 গাইড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে। ডিক্রিপ্টেড ” .vob ” ফাইল টি আপনার হার্ডডিস্কে সেভ হবে । যেটির আকার একই থাকবে। এখন সেটি Avidemux থেকে ওপেন করতে পারেন

    লিনাক্সের জন্য গাইড : Convert Movies (with subtitles) for Your PSP on Ubuntu – AVI/MKV/DVD to MP4/H.264/AAC

    আর ভালো কথা ডিভিডি ভিডিও বা ভালো রেজুলেশনের ভিডিও যেমন ৬৪০ x ৪৮০ বা ৭২০ x ৪৮০ আকারের ভিডিওকে MP4 এ কনভার্ট করে ভালো ফলাফল পাবেন। তারচেয়ে কম রেজুলেশনের ভিডিওকে H.264 (MP4) এ কনভার্ট করা যুক্তিসঙ্গত নয়।


  • My comment on bijoy developer Mustafa Jabbar article

    MR. Mustafa Jabbar যিনি বাংলাদেশী তথ্যপ্রযুক্তি ম্যাগাজিন কম্পিউটার জগতের নিয়মিত কলামিস্ট এবং Bijoy এর ডেভলপার। গত বছরে তিনি উক্ত ম্যাগাজিনে বিনামূল্যের সফটওয়্যার এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে অযৌক্তিক বক্তব্য দিয়েছিলেন। তারই জবাবে আমি এ বিষয়ে আমার মন্তব্যটি দুবার চিঠিমারফত কম্পিউটার জগতে পাঠিয়েছিলাম

    ( চিঠি প্রথমবার পাঠানোর পর পরবর্তী মাসে আমার মন্তব্য না দেখতে পেয়ে আবার পাঠিয়েছিলাম)


    কিন্তু তা আজ অবধি দেখতে পাইনি। তাই ভাবলাম আমার ব্লগেই ঝালটা মেটাই বন্ধূ অমি আজাদের মত :)

    তার লেখাটির কিঞ্চিত অংশ এখানে তুলে ধরছি আমার নিজেস্ব বক্তব্য সহ “যা ছাপানো হয়নি”

    [ কম্পিউটার জগৎ ১৫তম বর্ষপূর্তি সংখ্যা]

    [ এপ্রিল ২০০৬ সংখ্যা ১২]

    [কভার আর্টিকেল- এ সময়ে প্রযুক্তির পথ চলা কোন দিকে?]

    [পেজ - ২৬ "ডিজিটাল মিডিয়ার প্রেক্ষিত এবং পার্সোনাল কম্পিউটিং ২০০৭ - মোস্তফা জব্বার]

    (২য় কলাম)

    ১)

    আমাদের মতো গরিব দেশে আমরা কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠিকে শূধূ বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরীর জন্য নিঃশেষ হতে দিতে পারিনা। আমাদের নিজেদের জন্য এই মেধা কে অর্থের অঙ্কে রূপান্তর করতে হবে।।

    জব্বার সাহেব আমরা এতটাই গরীব নই যে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে আমরা নিঃশেষ হয়ে যাব। আর আপনাকে কে বলেছে বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করলে কম্পিউটার শিক্ষিত জনগোষ্ঠি নিঃশেষ হতে পারে। ধরুন আমি একজন দক্ষ প্রোগ্রামার । একদিকে আমি বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরী করে সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছি অপর দিকে আমার এই জ্ঞান এবং দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কোন ভালো কোম্পানীতে প্রোগ্রামার হিসেবে কাজ করে উপার্জন করছি। আপনার বক্তব্যটি অযৌক্তিক কারন কোন সফটওয়্যার ডেভলপার যে শুধূ বিনামূল্যেই সফটওয়্যার তৈরী করবে তা কিন্তু নয় সে তার এই দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থও উপার্জন করতে পারে।

    আর ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ডেভলপ করে একজন শিক্ষিত ডেভলপার কখনোই নিঃশেষ হতে পারেনা। কারন আমি একটি ওপেনসোর্স সফটও্যার ডেভলপ করলাম। এখন ধরুন আমি সফটওয়্যার ডেভলপ শিখছি বলতে পারেন শিক্ষার্থীর অবস্থায় আছি । এখন আমার প্রোগামিং এ ভূল ত্রুটি থাকা অসম্ভব নয় এমন কি দক্ষ ডেভলপারও ভূল ত্রুটি করতে পারেন যার কারনে সফটওয়্যারে বাগ দেখা যায়। এখন সফটওয়্যার টা ওপেনসোর্স হলে বিশ্বের যে কোন ডেভলপার সেটিকে মডিফাই করতে পারছে এবং তাতে কোন বাগ বা ত্রুটি থাকলে তা সহজেই বের করতে পারছে। সেই সাথে সফটওয়্যার টিও বাগমুক্ত হচ্ছে এবং আপনি জানতে পারছেন আপনার কোথায় ভূল হয়েছিল এবং আপনি তা থেকে নতুন কিছু শিখলেন। তো দেখতে পারছেন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার শুধূ সফটওয়্যারেরই উন্নয়ন ঘটায় না আপনার দক্ষতার উন্নয়ন ঘটায়।

    ২)

    অনেকেই মনে করেন ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী ও বিতরনের মাধ্যমে জনগন ও সরকারের অপারেটিং সিস্টেম এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগাম বাবদ অর্থ বাচিয়ে আমরা সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তুলতে পারবো। একটি সমাজতান্ত্রিক দেশে একটি পর্যায়ে পর্যন্ত এটি অবশ্যই কার্যকর হতে পারে । কিন্তু আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।

    আঙ্কেল আপনিইতো একটু আগে আমাদের দেশকে গরিব দেশ বলে সম্বোধিত করলেন। তো আপনার কথা যদি মেনেই নি তবে আমাদের মত গরিব দেশে ফ্রি এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার কে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে আমরা যদি দেশ ও সরকারের মূল্যবান অর্থ বাঁচিয়ে দিতে পারি তবে কেন নয়?

    এখানে আপনি সফটওয়্যার শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বানিজ্যিক সফটওয়্যারের গুরুত্বকে ও খাটো করে দেখছিনা বরং এটিও আমাদের সফটওয়্যার শিল্পে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। আমরা বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানী করে বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন করছি। কিন্তু মাইক্রোসফট অফিসের মত দামী সফটওয়্যার যদি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানে বৈধ ভাবে ক্রয় করে ব্যবহার করা হয় তখন আমরা সফটওয়্যারটির জন্য যে বিপূল অর্থ প্রদান করছি তা কি আমাদের দেশে থাকছে নাকি মাইক্রোসফটের টাকশালে চলে যাচ্ছে। এখন মাইক্রোসফট অফিসের বদলে যদি আমরা ফ্রি এবং ওপেনসোর্স অফিস এ্যাপলিকেশন ওপেনঅফিস ব্যবহার করি তবে দেখুন আমরা কত গুলো দেশীয় মূদ্রা সাশ্রয় করতে পারছি।

    আপনি বলেছেন “আমাদের মত মুক্তবাজারে বিনামূল্যের বলতে কোন কিছূর অস্তিত্ব নেই।”

    কিন্তু আপনার পরবর্তী বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিনামূল্যের সফটওয়্যারই আপনার মত ব্যবসায়ীর অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুক্ষীন করে তুলেছে এবং বিনামূল্যের সফটওয়্যারের প্রতি আপনার আক্ষেপের কারন ও জানা গেল।

    (কলাম ২-৩)

    ৩)

    মুনাফার লক্ষ্য না থাকলে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যাবসায়-বানিজ্য বা শিল্প বলতে কিছূ তৈরী হয়না। ফলে যারা ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চা করছেন, তারা তাদের কাজ অব্যহত রাখা সত্বেও অনুগ্রহ করে আমাদের মত ব্যবসায়ীদেরও একটি শিল্পখাত গড়ে তোলার স্বার্থে বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে দিন।

    মূনাফার লক্ষ্যের বিষয় টি নির্ভর করে সেই ডেভলপাররের উপর যিনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার তৈরী করছেন তার উপর ।
    এখন সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের হলেই যে তা হতে মূনাফা অর্জন করা যাবেনা তা কিন্তু নয়। আপনি সার্ভিসিং বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যেমও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। দেখুন মোজিলা ফায়ারফক্সের মত ওপেনসোর্স ব্রাউজার কেমনি ওয়েবব্রাউজারের মার্কেটে উইন্ডোজের সাথে দেয়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের সাথে সদর্পে টিকে আছে এবং তারা নানা ভাবে আয় ও করছে।

    আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য পড়ে আমি হাসবো না কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা??!!!

    আপনি ওপেনসোর্স বা বিনামূল্যের সফটওয়্যার চর্চাকারীদের প্রতি এ কি ধরনের অনুরোধ করছেন??? তারা আপনাদের বানিজ্যিক ভাবে কাজ করতে আটকাচ্ছে কোথায়?? বরং আপনারা যেমন বাংলাকম্পিউটিং কে অসম্ভব দামী করে তুলেছিলেন তখন অমিক্রন,অভ্র, একুশে এরা আমাদের ফ্রি বাংলা কম্পিউটিং এর সুযোগ করে দিয়ে আপনাদের মত ব্যাবসায়ীদের মূঠোর ভেতর থাকা হতে আমাদের রক্ষা করেছে। এজন্য আমরা তাদের প্রতি চিরঋনী।

    আপনার শেষের লাইনের বক্তব্য আমি সঠিক ভাবে বুঝতে পারিনি তাই আপনার যুক্তি খন্ডন করতে পারলাম না :)

    (কলাম ৪)

    ৪)

    আমি এখনো এটি বিশ্বাস করি ,ম্যাক ওএস ১০ হচ্ছে পারসোনাল কম্পিউটারের সর্বশ্রেষ্ঠ অপারেটিং সিস্টেম । “এমনকি যারা লিনাক্সকে পিসির সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম মনে করেন , তারাও স্বীকার করবেন লিনাক্সের মতই ম্যাক ওএস ইউনিক্স নির্ভর”

    নিঃসন্দেহে ম্যাক ওএস একটি অসাধারন অপারেটিং সিস্টেম কিন্তু আপনি বলতে ভূলে গেছেন এটি ফ্রি নয় এবং ম্যাক ওএস ব্যবহার করতে হলে আপনাকে এ্যাপল পিসি কিনতে হবে যে টা ব্যায় বহূল। অন্যদিকে আপনার বক্তব্য অনুযায়ী সেই শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম আমরা ব্যবহার করতে পারছি বিনামূল্যে এবং নিম্ন কনফিগারেশনের পিসিতেও।

    (পৃষ্ঠা:৩ / কলাম ৩)

    ৫)

    কম্পিউটার বিজ্ঞান পাঠদানকারীরা ওপেনসোর্স আর ফ্রি সফটওয়্যার বানানোর কৌশল শিখিয়েছেন , কিন্তু কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কৌশল তাদের শেখাননি”

    আমি আপনার আর্টিকেল টা যতটুকু পড়েছি ততটুকু অবাক হয়েছি। একজন আইটির লোক কেমন করে এমন কথা বলে!!

    ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর কি আলাদা আলাদা কৌশল আছে কি? আমার তো জানা ছিলনা। ওপেনসোর্স আর কমার্শিয়াল সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে একটির প্রোগ্রামিং সোর্স কোড উন্মুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে অন্যটির সোর্স কোড প্রদান করা হচ্ছেনা। নতুবা দুটো সফটওয়্যারই প্রোগ্রামার ডেভলপ করছে।

    আঙ্কেল কমার্শিয়াল সফটওয়্যার বানানোর যদি আলাদা কৌশল থাকে তবে তা আপনি কি আমাদের শেখাবেন? :D


  • Blog State interesting

     Blog State  September 05 2007

    blog-state.jpg
    :)


  • BBC Opensource Documentary The Codebreaker video

    digg_128x128.png

    Long time ago BBC showed a documentary about opensource name “The Codebreaker” . I recorded part 1 and part 2 of that documentary with my pinnacle 50 i PCTV internal tv card.

    Now I split that full documentary 8 part ( 5 min each ) and uploding to youtube.

    Here is my tube address : http://www.youtube.com/user/medarklord

    And Just Uploaded Part 1 here :

    http://www.youtube.com/watch?v=LQkDrb14f9I

    [youtube=http://www.youtube.com/watch?v=LQkDrb14f9I]

    enjoy……


  • Protect your password from keyloggers

    কি লগার হতে আপনার পাসওর্য়াড কে রক্ষা করুন

    কি – লগার (Keylogger) কি?

    কি লগার হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম যেটি আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকলে আপনি কি-বোর্ডে কি’ গুলো প্রেস করে কম্পিউটারে যা যা লিখছেন তা সেই প্রোগ্রামটি সংরক্ষন করে রাখবে আপনার অজান্তে। কি লগার হচ্ছে সবচেয়ে নিম্নস্তরের হ্যাকিং । কি লগার ব্যবহারের জন্য বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন পড়েনা। এটি কারো ইমেইল এ্যাড্রেস বা অন্যান্য এ্যাকাউন্টের ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করার সহজ পদ্ধতি ।

    আচ্ছা ধরুন আপনি সাইবার ক্যাফেতে ব্রাউজিং করছেন। আপনি হয়তো জানেনও না যে যেই পিসিতে বসে আপনি ব্রাউজিং করছেন তাতে কেউ পূর্বেই কি-লগার ইনস্টল করে রেখে গেছে। এখন ধরুন আপনি http://mail.yahoo.com এ গেলেন এবং ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করলেন । তৎক্ষনাত কি লগার টি আপনি যা যা টাইপ করেছিলেন সব রেকর্ড করে ফেলছে । ভয়ংকর তাইনা । এখন আপনি বলতে পারেন ঠিকআছে আমি কি বোর্ড দিয়ে ইউজারনেম পাসওয়ার্ড লিখবো না উইন্ডোজের অনস্ক্রিন কিবোর্ড ব্যবহার করবো।
    (Start > All Programs > Accessories > Accessibility > On-Screen Keyboard ) তবে জেনেনিন কি লগারটি সেটিও রেকর্ড করে ফেলবে (আমি পরিক্ষা করে দেখেছি) এছাড়াও প্রায় কি-লগার গুলোতে স্ক্রিনশট ফাংশনালিটি রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে বা নির্দিষ্ট সময় পরপর কি-লগারটি ডেক্সটপের স্ক্রিনশট তুলে রাখে ফলে হ্যাকার এটিও জানতে পারবে আপনি ডেক্সটপে কি কাজ করছিলেন , কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন , ইউজারনেম বক্সে কি লেখা আছে , পাসওয়ার্ড এর ঘরে কালো বিন্দু গুলোর সংখ্যা কয়টি ( যা পরবর্তীতে লগ হতে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড কে আলাদা ভাবে বুঝতে সহায়তা করে)

    আমি একসময় কি-লগার ব্যবহার করেছিলাম এবং অনেকগুলো ইমেইল / অন্যান্য এক্যাউন্টের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড পেয়েছিলাম।

    ( পরবর্রিতে বোরিং লাগায় ছেড়ে দিয়েছি)

    যা হোক এ বিষয় সম্পর্কে জানার পর আমার মনেও সঙ্কা জাগে যে আমি যেমন করছি তেমনি অন্য কেউ তো কি-লগার ব্যবহার করে আমার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে। আমি মরিয়া হয়ে এর সমাধান খোঁজা শুরু করলাম এবং হয়তো কিছুটা সমাধান ও পেয়ে গেছি। সেটি নিয়েই আজকে ব্লগে লেখা।

    যা যা প্রয়োজন :

    ক.) ১২৮ মেগাবাইটের একটি পেনড্রাইভ
    খ.) ফায়ারফক্স পোর্টেবল

    ফায়ারফক্স পোর্টেবল হচ্ছে ফায়ারফক্সেরই পোর্টেবল ভার্সন। অর্থাৎ এটি পেনড্রাইভে ইনস্টল করা হলে যে কোন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ হতে ফায়ারফক্স চালানো যাবে , ইনস্টল করার প্রয়োজন পড়বে না।
    এটি পাওয়া যাবে এখান থেকে : http://portableapps.com/apps/internet/firefox_portable

    ফায়ারফক্স পোর্টেবল টি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড করার পর প্রোগ্রামটি রান করে ব্রাউজ করে আপনার পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে দিন। তারপর Install বাটনে ক্লিক করুন। ফায়ারফক্স পোর্টেবল আপনার পেনড্রাইভে ইনস্টল হওয়া শুরু করবে। পোর্টেবল ফায়ারফক্স অনুমানিক ২০ মেগাবাইটের মত যায়গা নেবে। বাকি ফ্রি স্পেস ব্যবহার হবে Cache ফাইল সংরক্ষনের জন্য (আপনি ওয়েবসাইট ভিজিট করলে ইমেজ, কুকি , ফ্ল্যাশ ফাইল ইত্যাদি লোকাল ডিস্কে সংরক্ষিত হয় এগুলোই ক্যাশ ফাইল)

    আগেই বলে নেই আমরা ফায়ারফক্সের “পাসওয়ার্ড ম্যানেজার” ফিচার টি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড কে কি-লগারের হাত হতে রক্ষা করব। যদিও এটি খুব সহজ বিষয় তবুও যারা এ সম্পর্কে জানেননা তাদের জন্য এই টিউটোরিয়াল।

    এখন আপনার পেনড্রাইভ থেকে FirefoxPortable ফোল্ডারে গিয়ে FirefoxPortable.exe রান করুন।ফায়ারফক্স পোর্টেবল এর স্প্ল্যাশ স্ক্রিন দেখাবে এবং ফায়ারফক্স চালু হবে। খেয়াল রাখবেন এই ফায়ারফক্স পেনড্রাইভ থেকে রান হচ্ছে তাই এটি মূল ফায়ারফক্স থেকে কিছূটা স্লো চালু হতে পারে তবে usb 2.0 হলে হয়তো বা পারফরমেন্স ভালো হতে পারে। এখন ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ আছে এবং আপনার পিসিতে কিলগার নেই আপনি নিশ্চিত । এবার আপনার গুরুত্বপূর্ন ওয়েবসাইট টি ব্রাউজ করুন পোর্টেবল ফায়ারফক্স থেকে। ধরুন আপনি ইয়াহু মেইল বা জিমেইলে লগইন করবেন। এখন ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে আপনার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড টাইপ করুন। এবার সাইন ইন বা লগইন বাটনে ক্লিক করলে একটি পপআপ ম্যাসেজ আসবে যে আপনার ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড ফায়ারফক্সের পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে সেভ হবে কিনা।

    pic1.jpg

    চিত্রঃ – ১

    এখান থেকে “Remember” বাটনে ক্লিক করুন তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজারে তা সংরক্ষিত হবে। সংরক্ষিত হয়েছে কিনা তা আপনি দেখতে পারেন
    Tools > Options > থেকে Security ট্যাবে গিয়ে

    pic2.jpg

    চিত্রঃ – ২

    Show Passwords.. এ ক্লিক করুন। তাহলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার দেখতে পাবেন

    pic3.jpg

    চিত্রঃ – ৩

    এখানে সাইট কলামে সাইটের এ্যাড্রেসটি , ইউজারনেম কলামে সেই সাইটে ব্যবহৃত ইউজার নেমটি এবং পাসওয়ার্ড কলামে পাসওয়ার্ড টি দেখতে পাবেন।

    এখন থেকে যখন ই আপনি উক্ত সাইট টি ভিজিট করবেন সেই পেজের ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড বক্সে অটোমেটিক আপনার সংরক্ষিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকবে। আপনাকে কোনকিছু টাইপ করতে হবেনা তাই পাসওয়ার্ড যখন টাইপ’ই করছেন না তখন কি-লগার রেকর্ড করবে কি??  তবে একই এড্রেস বা সাইটের জন্য একের অধিক ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড সংরক্ষিত থাকলে ইউজার নেম পাসওয়ার্ড বক্স খালি থাকবে। আপনাকে নির্দিষ্ট ইউজারনেমটি টাইপ করতে হবে এবং পাসওয়ার্ড বক্সে এক ক্লিক করলে সেই ইউজারনেমের সাথে সংরক্ষিত পাসওয়ার্ডটি অটোমেটিক চলে আসবে।তবে এক্ষেত্রেও কি-লগার ইউজারনেম রেকর্ড করতে পারলেও পাসওয়ার্ড রেকর্ড করতে পারবেনা। তাছাড়াও কি-লগার স্ক্রিনশট তুললেও আপনার ইউজারনেমটিই দেখতে পারবে পাসওয়ার্ড নয়। ফলে আপনার পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত থাকবে। এক্ষেত্রে অনুরোধ রইলো পাসওয়ার্ড এমন রাখবেন যা ইউজারনেম দেখে ধারনা করা না যায়।

    আর কেউ যাতে আপনার পেনড্রাইভ থেকে আপনার সংরক্ষিত পাসওয়ার্ড দেখতে না পারে এ জন্য Options > Security Tab থেকে Use master password এ ক্লিক করে পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখুন। ফলে কেউ পাসওয়ার্ড ম্যানেজার খুলে ইউজারনেম দেখতে পেলেও মাস্টার পাসওয়ার্ড ছাড়া পাসওয়ার্ড দেখতে পারবে না।

    আর পোর্টেবল ফায়ারফক্সের মজা হচ্ছে আপনি এটি পেনড্রাইভে বহন করে নিতে পারছেন এবং সবচেয়ে অসুরক্ষিত পিসি (সাইবার ক্যাফের পিসি) তে বসে নিশ্চিন্তে আপনার প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট গুলো ব্রাউজ করতে পারছেন।