• 7 Zip is the best archiver for me

    অসাধারন এক আর্কাইভার 7-Zip

    এতদিন Winzip আর Winrar আর্কাইভার ব্যবহার করে আসছিলাম। কিন্তু 7-Zip ব্যবহারের পর এর পারফরমেন্সে আমি মুগ্ধ।

    7-Zip হচ্ছে একটি ওপেনসোর্স ফাইল আর্কাইভার।

    এটিকে নিসন্দেহে উইনজিপ , উইনআরএআর এর অল্টারনেটিভ বলা যায়।

    7-Zip নামটি প্রায় sourceforge.net এর হোমপেজে Most Downloaded লিস্টে চোখে পড়ত। ( এখনও আছে )

    এখন দেখি এটি SourceForge.net Community Choice Awards 2007 এ দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে :

    *Best Project
    * Best Technical Design

    তাই ভাবলাম ট্রাই করে দেখি।

    আমার আগের থেকে সামহোয়ারইনব্লগের অনেক ব্লগারের পোষ্ট সেভ করা ছিল। যার টোটাল সাইজ হচ্ছে ২৬৯ মেগাবাইট। Winrar এ সেই পোষ্ট গুলো কমপ্রেস করে রেখেছিলাম অনেক দিন আগে। winrar সেটিকে কমপ্রেস করেছিল ২৬৯ মেগাবাইট থেকে ১০৯ মেগাবাইট এর মত সাইজে।

    এবার সেই আর্কাইভ থেকে পোষ্ট গুলো আনকমপ্রেস করলাম।

    এখন সেই মোট ২৬৯ মেগাবাইটের পেজগুলো কে 7-zip দিয়ে আর্কাইভ করা শূরু করলাম।

    আর্কাইভিং এর সময় যে সেটিং ফলো করেছি :

    Archive format : 7z

    Compression level: Ultra

    Compression method: LZMA

    তারপর বাকি সেটিং গুলো অপরিবর্তিত রেখে কমপ্রেস করা শূরু করলাম।

    অনেক্ষন টাইম নিলো । শেষ হবার পর কমপ্রেসড ফাইলটির সাইজ চেক করতে গিয়েতো আমার মাথা ঘুরে গেল।

    ২৬৯ মেগাবাইটের পেজগুলো সেভেনজিপ কতমেগাবাইটে কমপ্রেস করেছে জানেন????

    ৩১.১ মেগা বাইটে !!!! বিশ্বাস হয়না ???

    দেখুন তাহলে ডাউনলোড করে এখান থেকে

    http://www.esnips.com/web/foisalpublicfolder

    somewherein blog post collection.7z এই ফাইলটি ডাউনলোড করে সেভেনজিপ দিয়ে আনকমপ্রেস করুন।

    চিন্তা করেন!!!! আমার কতগুলো স্পেস বাঁচল। এরপর থেকে আমি সেভেন জিপের ফ্যান হয়ে গিয়েছি।

    এটি উইন্ডোজ এবং লিনাক্সের পাশাপাশি অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট করে ।

    সাপোর্টেড অপারেটিং সিস্টেম :
    Windows (98/ME/NT/2000/XP) , Linux (Debian , Fedora Core , Gentoo , AltLinux.org) , Mac OS X , FreeBSD , BeOS

    মূল সাইট : http://www.7-zip.org/

    সোর্সফোর্জ লিন্ক : http://sourceforge.net/projects/sevenzip/

    নানান ফরমেটের ফাইলের ক্ষেত্রে এর পারফরমেন্স কি এই মুহুর্তে বলতে পারছিনা । তবে এটুকু বলতে পারি টেক্সট ভিত্তিক ফাইল বা আসকি ফাইল যেমনওয়ার্ড ডকুমেন্ট , সোর্সকোড, এইচটিএমএল , জাভাস্ক্রিপ্ট ইত্যাদি ইত্যাদি

    ফাইল কমপ্রেসের ক্ষেত্রে চোখ বুজেঁ বলতে পারি সেভেনজিপ বেস্ট।আপনি যদি প্রোগ্রামার হন এবং আপনার যদি ২০০-৩০০ মেগাবাইটের অধিক সাইজের সোর্সকোড ফাইল থাকে তবে আপনি সেভেনজিপ দিয়ে তা কমপ্রেস করে দেখতে পারেন। ফলাফল দেখেআপনি অবাক হবেন আমার বিশ্বাস।


  • Rss feed collection

      feed.gif button_large_rss_whtbg.gif rss_news.gif

     

     

    ফিড লিন্ক শেয়ারিং এর কামটা হাসিন ভাই শুরু করলেন। তাই ভাবলাম আমিও ওনার মত শুরু করি। তাইলে এই হইলো গিয়া আমার ব্যবহৃত আরএসএস ফিড লিন্কঃ

    à§§. Linux.org.BD (লিনাক্স ফোরাম) – http://forum.linux.org.bd/rss.php

    ২. Download Squad ( আইটি নিউজ ব্লগ)

    http://feeds.downloadsquad.com/weblogsinc/downloadsquad

    à§©. Bangla News Network ( বাংলা আইটি নিউজ ) – http://www.bangla-news.net/rss/4.xml

    ৪. Digg - http://www.digg.com/rss/containertechnology.xml

    http://www.digg.com/rss/indexlinux_unix.xml

    à§«. প্রজন্ম ফোরাম – http://forum.projanmo.com/rss.php

    ৬. Mobile4 দেশি’র আরএসএস ফিড


    à§­. ওয়ার্ডপ্রেস “লিনাক্স” ট্যাগ

    ৮. Softpedia টেক নিউজ - http://news.softpedia.com/backend/english.xml

    লিনাক্স নিউজ – http://news.softpedia.com/newsRSS/Linux%20news-7.xml

    ৯. Engadget Mobile (মোবাইল বিষয়ক ব্লগ)

    http://feeds.engadget.com/weblogsinc/engadgetmobile

    ১০. বিডিলাগ – http://rss.groups.yahoo.com/group/bdlug/rss

    ১১. জিপি নেটইউজার গ্রুপ http://rss.groups.yahoo.com/group/gpnetuser/rss

    ১২. একুশে গ্রুপ - http://rss.groups.yahoo.com/group/ekushey/rss

    à§§à§©. Google News – Sci/Tech

    http://news.google.com/?ned=us&topic=t&output=atom

    ব্লগ…….

    ১৪. হাসিন ভাইএর ব্লগ - http://hasin.wordpress.com/feed/

    ১৫. অমি আজাদের ব্লগ - http://omi.net.bd/?feed=atom

    ১৬. সোহাগ ভূঁইয়া Online ICT Journalism

    http://online-journalism.blogspot.com/atom.xml

    ১৭. জুয়েল টেক ব্লগ - http://jewelosman.wordpress.com/feed/

    ১৮. মাথা বেচে খাই যারা - http://projukti.blogspot.com/feeds/posts/default

    ১৯. Russell’s Cyber Journal - http://feeds.feedburner.com/russell

    ২০. সামহোয়ারইন ব্লগ - http://www.somewhereinblog.net/indexblog/rss

    ২১. লাভলুদা - http://lavluda.com/feed/atom/

    ২২. শামিম প্রজন্ম ফোরামের এ্যাডমিন –
    http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/posts/default

    ক্রিকেট

    ২৩. Cricketnext.com
    http://www.cricketnext.com/xml/cricketnext.xml

    ২৪. Cricinfo Bangladesh cricket news
    http://www.cricinfo.com/homepage/Bangladesh.rdf

    ২৫. CricketWorld
    http://www.cricketworld.com/site/feed/?2

    লিনাক্স

    ২৬. HowtoForge – http://www.howtoforge.com/node/feed

    ২৭. Ubuntu Linux Blog by Ralph
    http://ralph.n3rds.net/index.php?/feeds/index.rss2

    ২৮. Ubuntu Weekly News – http://fridge.ubuntu.com/uwn/feed

    ২৯. ubuntu – Google News

    ৩০. fridge.ubuntu.com – http://fridge.ubuntu.com/node/feed

    à§©à§§. eWEEK Linux – http://rssnewsapps.ziffdavis.com/eweeklinux.xml

    ৩২. infoworld.com – http://weblog.infoworld.com/openresource/rss.xml

    à§©à§©. LXer Linux News – http://lxer.com/module/newswire/headlines.rss

    ৩৪. InfoWorld: Platforms – http://www.infoworld.com/rss/operatingsystems.xml

    à§©à§«. DistroWatch.com: News – http://distrowatch.com/news/dw.xml

    ৩৬. Tectonic.co.za – http://www.tectonic.co.za/tectonic.rss

    à§©à§­. Mark Shuttleworth – http://www.markshuttleworth.com/feed/

    ৩৯. Boycott Novell – http://boycottnovell.com/feed/atom/

    ৪০. ** Linux Today **- http://www.linuxtoday.com/biglt.rss

    ৪১. Linux Magazine: Top Stories - http://www.linux-mag.com/cache/rss20.xml

    ৪২. ** NewsForge ** - http://www.newsforge.com/index.rss

    ৪৩. Linux Blog Aggregator - http://blogs.linux.org.bd/?feed=atom

    ৪৪. Linux Journal - http://www.linuxjournal.com/node/feed

    ৪৫. Free Software Magazine blogs -
    http://www.pheedo.com/f/free_software_magazine_blogs

    ৪৬. OSNews - http://osnews.com/files/recent.rdf

    ৪৭. DesktopLinux.com -
    http://www.desktoplinux.com/backend/headlines.rss

    ৪৮. Linuxlookup - http://www.linuxlookup.com/rss.xml

    ৪৯. Slashdot: Linux - http://rss.slashdot.org/Slashdot/slashdotLinux

    ৫০. Nothing but Unix -
    http://unix-news.blogspot.com/feeds/posts/default?alt=rss

    à§«à§§. APC Magazine – Linux -
    http://apcmag.com/taxonomy/term/309/0/feed

    ৫২. Mypapit gnu/linux [blog] - http://feeds.feedburner.com/mypapit/

    à§«à§©. All About Ubuntu - http://allaboutubuntu.wordpress.com/feed/

    ৫৪. Linux.com :: Feature –
    http://www.linux.com/feature/?theme=rss

    à§«à§«. FOSSwire – http://feeds.feedburner.com/fosswire

    ৫৬. FSDaily / Published News (Digg like) -
    http://www.fsdaily.com/rss.php

    Wordpress

    à§«à§­. WordPress.com news - http://wordpress.com/feed/

    à§«à§®. Weblog Tools Collection -
    http://feeds.feedburner.com/weblogtoolscollection/UXMP

    ৫৯. WordPress Widgets - http://widgets.wordpress.com/feed/

    ৬০. Lorelle WordPress Tutorial – http://lorelle.wordpress.com/feed/

    ৬১. Blogging Pro Wordpress tips -http://feeds.feedburner.com/bloggingpro/PfjF

    ৬২. WPThemesPlugin.com - http://wpthemesplugin.com/feed/atom/

    Torrent

    ৬৩. TorrentFreak - http://feed.torrentfreak.com/Torrentfreak/

    ৬৪. Zeropaid - http://feeds.feedburner.com/zeropaid

    ৬৫. The Peer-to-Peer Weblog - http://p2p.weblogsinc.com/rss.xml

    ৬৬. Download Squad p2p torrent -
    http://www.downloadsquad.com/category/p2p/rss.xml

    ৬৭. LinuxTracker - http://www.pheedo.com/f/linuxtracker884

    ৬৮. The Pirate Bay Blog - http://rss.thepiratebay.org/blog

    ৬৯. Bangla Torrents - http://www.banglatorrents.com/external.php?type=RSS2

    ৭০. The Pirate Bay – Pictures - http://rss.thepiratebay.org/603

    CG ( Computer Graphics)

    à§­à§§. ** Death Fall ** – http://www.deathfall.com/rss.xml

    ৭২. Screenz.de – Photoshop und Illustrator Tutorials -
    http://feeds.feedburner.com/screenz

    à§­à§©. VFXNewswire - http://www.vfxworld.com/?atype=news&format=rss

    এবং অন্যান্য ….. ( নতুন ফিড পেলে এখানে দেব)

    ৭৪. বাংলাদেশের খবর (bdnews) - http://bdnews.wordpress.com/feed/


  • টরেন্ট তৈরী এবং শেয়ারিং এর টিউটোরিয়াল

    টিউটোরিয়ালটি পড়ার আগেই টরেন্ট সম্পর্কে সাধারন ধারনা পাবার জন্য [[ এই ]] পোষ্টটি দেখুন:

    এবার আসুন শুরু করি -

    যা যা লাগবে -

    ১. শুধু একটি টরেন্ট ক্লায়েন্ট যা দিয়ে টরেন্ট ডাউনলোড করার পাশাপাশি টরেন্ট তৈরী করা যায়। আমি এক্ষেত্রে ব্যবহার করছি
    µTorrent

    2. একটি ট্র্যাকার ইউআর এল যেটি আপনার টরেন্টটির বর্তমান অবস্থা , সিডার , পিয়ার ইত্যাদি তথ্য জানাবে ( উপরের লিন্কটি থেকে এগুলো সম্বন্ধে জেনে রাখূন)
    বেশ কিছু টরেন্ট সাইট ট্রাকারের সুবিধা দেয় যার মধ্যে http://thepiratebay.org/ একটি

    এবার µTorrent ডাউনলোড করুন।

    করার পর ইউটরেন্ট ওপেন করুন। প্রথমেই বলি টরেন্ট কিভাবে ডাউনলোড করবেন।

    টরেন্ট সাইটগুলো থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইলটির টরেন্ট ডাউনলোড করুন । ফাইলটি ( .torrent ) এক্সটেনশনযুক্ত হবে

    এরকম “Top 15 Web 2.0 WordPress Blog Templates.torrent”

    এবার ইউটরেন্ট থেকে ফাইলটি ওপেন করুন Add Torrent এ ক্লিক করে।

    pic-1.jpg

    চিত্রঃ ১

    তাহলে Add new Torrent window আসবে। এখানে যথাক্রমে

    Save as : টরেন্ট ফাইলটি আপনি যেখানে সেভ করতে চান
    মাঝখানের অংশটি গুরুত্বপূর্ন নয়

    Torrent content : এখানে select all দিলে টরেন্টে যতগুলো ফাইল আছে তা ডাউনলোডের জন্য সিলেক্ট হয়ে যাবে। তবে আপনি select None দিয়ে
    সবগুলো আনসিলেক্ট করে শুধু কয়েকটি ফাইল সিলেক্ট করতে পারেন ডাউনলোডের জন্য।
    এবার উপরে Start Torrent বক্সটি চেকমার্ক করা থাকলে ok ক্লিক করলেই টরেন্ট টি ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে।

    তবে মনে রাখবেন টরেন্ট সাধারন ডাউনলোডিং এর মতো নয় । টরেন্ট ডাউনলোড শুরু করার পর এটির ট্র্যাকার প্রথমে seeder(শেয়ারকারী)peer(ডাউনলোডকারী) খুঁজবে।
    সিডারের সংখ্যা কম হলে ডাউনলোড ধীরে হবে। তবে আপনাকে কিছুক্ষন ধৈর্য সহকারে অপেক্ষা করতে হবে।

    এবার আসুন µTorrent এর ইন্টারফেসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।

    pic-2.jpg

    চিত্রঃ ২

    Name : টরেন্টটির নাম

    Size : ডাউনলোডকৃত ফাইলটির আকার

    Downloaded : যতটুকু ডাউনলোড হয়েছে

    Remaining : যতটুকু বাকি আছে

    Done : যত পারসেন্ট সম্পূর্ন হয়েছে

    Status : আপনি ডাউনলোড বা আপলোড কোনটা করছেন

    Seeds : সিডার শেয়ার/আপলোডকারীর সংখ্যা

    Peers : পিয়ার বা ডাউনলোডকারীদের সংখ্যা

    Download speed : যত স্পিডে ডাউনলোড হচ্ছে

    Upload Speed : যত স্পিডে আপলোড হচ্ছে

    Uploaded : আপনি যতটুকু আপলৌড বা শেয়ার করেছেন

    Ratio : আপনার ডাউনলোড এবং আপলোডের গড় হিসাব

    নীচে speed ট্যাবে আপনার ডাউনলোড এবং আপলোডের পরিমান গ্রাফ আকারে দেখাবে।
    Peers ট্যাবে ডাউনলোড বা আপলোডকারীদের এবং তাদের ডাউনলোড এবং আপলোডিং এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    এছাড়াও উল্ল্যেখ্য আপনি যেকোন টরেন্টের উপর রাইট ক্লিক করে বিভিন্ন অপশন পেতে পারেন এবং ডাউনলোডিং ও আপলোডিং এর জন্য
    ব্যবহৃত ব্যান্ডউইডথ নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন।

    pic-3.jpg

    চিত্রঃ ৩

    এবার আসি মূল টিউটোরিয়ালে

    | টরেন্ট তৈরী |

    আগেই http://thepiratebay.org/ তে গিয়ে একটি এ্যাকাউন্ট তৈরী করে নিন। এটা পরে কাজে আসবে।

    এখন আমি আমার কম্পিউটারের কিছু ফাইল টরেন্টে শেয়ার করে দেখাচ্ছি।

    এজন্য প্রথমে µTorrent থেকে File > Create New Torrent এ ক্লিক করি।

    pic-4.jpg
    চিত্রঃ 8

    তার পর Add File ( একটি ফাইলের ক্ষেত্রে ) Add Directory (একটি ফোল্ডারের ক্ষেত্রে)
    এখন আমার কম্পিউটারের একটি ফোল্ডার সিলেক্ট করে Add করলাম।

    Trackers: টরেন্টের ক্ষেত্রে ট্রাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন । এখন আমি thepiratebay.org সরবরাহকৃত ট্রাকার url টি ব্যবহার করছি

    http://tpb.tracker.thepiratebay.org/announce

    এই url টি হুবহূ ” Trackers: “ অংশে পেষ্ট করে দিলাম।

    এবার Create and save as বাটনে ক্লিক করে মূল টরেন্ট ফাইলটি তৈরী করি ” BD Actress and model’s.torrent “ তারপর সেভকরি

    pic-5.jpg
    চিত্রঃ ৫

    তাহলে এটি সেভ হয়ে আপনার ইউটরেন্টের লিস্টে চলে আসবে। এখন লিস্টথেকে টরেন্ট টির উপর রাইটক্লিক করে Remove ক্লিক করে টরেন্টটি লিস্ট থেকে
    সরিয়ে ফেলি। কারন এটি আপতত প্রয়োজন নেই।

    এবার আমি যেই টরেন্টটি সেভ করলাম সেটা হাতের কাছে রাখলাম।

    এখন আমি যে টরেন্ট তৈরী করলাম এবং যে ফাইল শেয়ারিং করব তা অন্যদের তো জানাতে হবে তাইনা । তাই এজন্য রয়েছে thepiratebay.org মত
    সাইট।

    এবার thepiratebay.org তে গিয়ে লগইন করলাম তারপর সেখান থেকে Upload torrent লিন্কে ক্লিক করলাম

    তাহলে এরকম পেজ আসবে।

    pic-6.jpg
    চিত্রঃ ৬

    এখানে Browse এ ক্লিক করে আমার তৈরী করা BD Actress and model’s.torrent ফাইলটি সিলেক্ট করে এ্যাড করে
    দিলাম।

    তার পরে Torrent name: এ আমার ইচ্ছা মত নাম দিলাম

    Catagory: থেকে টরেন্টটি যে ক্যাটাগরির আওতায় পড়ে তা সিলেক্ট করে দিলাম।

    Description: এ টরেন্ট টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পারেন।

    এবার Enter code from image: ছবি অনুযায়ী কোড লিখে upload এ ক্লিক করে টরেন্ট টি আপলোড করে দিলাম।

    টরেন্ট টি পাবেন এখানে
    এবার আপলোড কৃত টরেন্টটি Download this torrent এ ক্লিক করে ডাউনলোড করি।

    মূল টরেন্টটি আগেই তৈরী করলেও কাজে আসবে এই টরেন্টটি

    Picture_collection_of_bangladeshi_girl_and_female_model.3724870.TPB.torrent

    এবার আগের মত করে এই টরেন্টটি ইউটরেন্টে ওপেন করুন।

    লিস্টে আসার পর সেটির ওপর রাইটক্লিক করে টরেন্টটি ডাউনলোড অবস্থায় থাকলে সেটিকে স্টপ করি।

    এবার সেই মেনু থেকে Advanced > Set download location এ ক্লিক করি

    pic-7.jpg
    চিত্রঃ ৭

    তারপর যেই ফোল্ডার বা ফাইল টি আমি শেয়ার করছি সেটি সিলেক্ট করে ok তে ক্লিক করি।

    pic-8.jpg
    চিত্রঃ ৮

    তাহলে ইউটরেন্ট ফোল্ডার বা ফাইলটি রি- চেক করবে আপনি Done কলাম থেকে তা দেখতে পাবেন।

    চেক হয়ে গেলে অটোমেটিকেল্যালি সিড হওয়া শুরু করবে । না হলে stop এক্লিক করে আবার start এ ক্লিক করুন।
    তা হলে সিডিং শুরু হয়ে যাবে মানে আপনি সিড/শেয়ার/আপলোড করছেন। Status কলামে seeding দেখাবে।

    এবার seeds এবং peers কলামে সংখ্যার কোন পরিবর্তন হয় কিনা লক্ষ্য করুন এছাড়াও নীচে speed ট্যাবেও
    লক্ষ্য রাখতে পারেন গ্রাফ দেখা যাচ্ছে কিনা । সবুজ রেখা ডাউনলোডিং এর আর লাল রেখা আপলোডিং এর।

    pic-9.jpg
    চিত্রঃ ৯

    এছাড়াও Peers ট্যাবেও দেখতে পারেন। যারা আপনার টরেন্ট থেকে ডাউনলোড করছে এবং আপনি যাদের থেকে ডাউনলোড করছেন

    pic-10.jpg
    চিত্রঃ ১০

    এখন আপনার পিয়ার অর্থাৎ যারা আপনার ফাইলটি ডাউনলোড করছে তাদের সবার % percentage ১০০% পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত
    সিড করতে থাকুন। তাদের ১০০% পুরো হলে অর্থাৎ তারা আপনার ফাইল সম্পূর্ন ডাউনলোড করলে তারা একে একে লিস্ট থেকে মিলিয়ে যেতে থাকবে
    এবং তারা সিডার হিসেবে যোগ দিতে থাকবে *যদি তারা সিড করতে ইচ্ছুক হয়*। আপনি সিডারের সংখ্যা পাইরেটবে এর আপনার টরেন্টের পেজে
    Seeders: এর পাশের সংখ্যা দেখে বুঝতে পারবেন এবং তার নীচেই Leechers: এর সংখ্যা দেখে বুঝতে পারবেন
    কতজন আপনার ফাইল ডাউনলোড করছে।

    pic-11.jpg
    চিত্রঃ ১১

    এভাবে সিডের সংখ্যা যত বেশী হবে অন্যেরা তত স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবে। সীডারের সংখ্যা আনেকবেশী হরে আপনাকে তখন সিডিং নাও কলে চলবে তখন আপনি stop
    এ ক্লিক করে সিডিং বন্ধ করে দিতে পারেন।

    মজার ফাইল শেয়ারিং টেকনোলজি তাইনা। একটু চেষ্টা করলেই পারবেন।

    আমার এই টরেন্ট টি চেক করে দেখতে পারেন :

    Link

    আর কোন সমস্যা হলে জানাবেন ধন্যবাদ

    কৃতজ্ঞতা স্বীকার:

    Thanks to www.banglatorrents.com for good tutorials and help


  • Just A Kiss and download youtube video

     

    কি হেডলাইন দেখে ভড়কে গেলেন । ব্যাপারটা কিন্তু সত্য । আপনি চুম্মা দিয়ে ডাউনলোড করতে পারেন ইউটিউব ভিডিও ।

    এই সুবিধা দিচ্ছে http://www.kissyoutube.com/

    এর মাধ্যমে ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড করতে হলে আপনাকে বেশী কিছু করতে হবেনা। শুধু সেই ভিডিওর লিন্কটিতে youtube.com
    এর আগে kiss শব্দটি জুড়ে দিতে হবে। (মনে রাখবেন এ্যাড্রেসবারে যেই লিন্কটি আছে সেই লিন্কটির সাতে যুক্ত করতে হবে শব্দটি)

    যেমন ধরুন এই ভিডিওটি পূর্বেঃ

    http://www.youtube.com/watch?v=5K6PS545hjo

    আপনি দিলেন http://www.kissyoutube.com/watch?v=5K6PS545hjo

    ব্যাস তারপর যেই নতুন পেজ আসবে তাতে নীচে “Download Now” তে ক্লিক করে ফাইলটি সেভ করতে হবে।সেভ করার পর
    ফাইলটিকে রিনেম করে .flv এক্সটেনশন যাক্ত করতে হবে। যেমনঃ get_video.flv .

    kissyoutube.jpg

    তারপর flv ভিডিও চালাতে সক্ষম এমন প্লেয়ার দিয়ে ভিডিওটি উপভোগ করুন।

    http://www.wimpyplayer.com/products/wimpy_standalone_flv_player.html

    http://www.bitcomet.com/tools/index.htm

    http://www.rivavx.com/


  • WordPress 2.1.1 dangerous, Upgrade to 2.1.2

    Just visit the link

    http://wordpress.org/development/2007/03/upgrade-212/


  • HJSplit Split any file

    HJSplit হচ্ছে একটি ফাইল spliter tool। অথাৎ এটির মাধ্যমে আপনি যেকোন
    ফাইলকে স্প্লিট বা বিভক্ত করতে পারবেন অনেকগুলো ভাগে । এ ধরনের টুল বড় বড়
    ফাইল কে বিভক্ত করে পরে আবার তা  জয়েন বা যুক্ত করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

    এটি ডাউনলোড করতে পারবেন এখান থেকেঃ

    http://www.freebyte.com/hjsplit/#win32

    মূল সাইটঃ http://www.freebyte.com/

    সরাসরিঃ

    www.nlsoftware.com/download/hjsplit.zip

    মিররঃ

     www.freebyte.net/download/hjsplit.zip
     www.treepad.net/download/hjsplit.zip

    সাইজঃ 304 Kb

    ভার্সনঃ 2.3

    কম্পাটিবলিটিঃ Windows XP, Vista, 2000, NT, 98, 95, ME.

    প্রথমে hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করুন। হ্যা ভালোকথা এই প্রোগ্রামটি কিন্তু ইন্সটল করা লাগবে না শুধু চালু করুন ব্যাস। এখন ধরুন আমার একটা ভিডিও ফাইল আছে যেটার সাইজ ১৪৪ এম.বি ।

    কিন্তু আমার পেনড্রাইভের ধারন ক্ষমতা হচ্ছে ১২৮ মেগাবাইট। এখন ফাইলটি আমার এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে নেওয়া লাগবে, আর হাতের কাছে আর কোন স্টোরেজ ডিভাইসও নেই।
    তাই কি করা যায়ঃ

    এখন আমি hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করে Split বাটনে ক্লিক করলামঃ

    নতুন উইন্ডো টি থেকে Input File বাটনে ক্লিক করে আমার সেই ভিডিও ফাইলটি সিলেক্ট করলাম। এখন Output এ এই ভিডিও ফাইলটির split অংশ গুলো কোথায় সেভ হবে তা দিয়ে দেই।

    এবার আসি Splite file size এ। আমার ফাইলটি যেহেতু মেগাবাইটের তাই ড্রপডাউন থেকে Mbytes সিলেক্ট করি। এখন ধরুন আমি চাচ্ছি ফাইলটি কে ভাগ করতে । যেহেতু আমার পেন ড্রাইভের সাইজ ১২৮ এম.বি তাই Splite file size 128 দিলাম। এবার Start বাটনে ক্লিক করলে আমার ভিডিও ফাইলটি স্প্লিট বা বিভক্ত হবে। ছবিটি দেখুনঃ

    প্রথম ফাইলটি আমার উল্যেখ করা অনুসারে ১২৮ এম.বি এবং অপর ফাইল টি তৈরী হয়েছে তার বাকি অংশ অর্থাৎ ১৬.৯ এমবি নিয়ে । বুঝলেন?

    এখন ফাইলটির সাইজ যদি ২৫৬ এম.বি হত তবে ১২৮ এম.বি এর দুটো স্প্লিট ফাইল তৈরী হত।

    এভাবে আপনি এক গিগাবাইটের (1024 mb) ডিভিডি ফাইলকে বা অন্য কোন ফাইলকে 512 mb র দুভাগে ভাগ করে সংরক্ষন করতে পারেন এবং পরবর্তীতে join করতে পারেন।

    ভালো কথা , ফাইলগুলো কে জয়েন করবেন কিভাবে?

    অপর কম্পিউটারে স্প্লিট করা সকল ফাইল একই ফোল্ডারে রাখুন । দেখুন সব ফাইলএকসাথে আছে কিনা । ফাইলের এক্সটেনশন থাকবে 001 , 002 , 003 এমন করে ।

    এবার সেই কম্পিউটারে hjsplit প্রোগ্রামটি ওপেন করে Join বাটনে ক্লিক করিঃ

    তার পর Input File : এ শুধু মাত্র প্রথম ফাইলটি অর্থাৎ .001 এক্সটেনশন যুক্ত ফাইলটি সিলেক্ট করি, স্প্লিট ফাইল গুলোও একই ফোল্ডারে আছে  সেটা নিশ্চিত হতে হবে ।
    এবার Output এ যেখানে joint করা ফাইলটি রাখতে চাই সেস্থান উল্ল্যেখ করে দেই।

    এবার Start বাটনে ক্লিক করি। তাহলে স্প্লিটকৃত ফাইল গুলো পুনরায় জয়েন্ট হয়ে যাবে।

    Complete হয়ে গেলে দেখতে পেলাম আমার ভিডিও ফাইল টি পুনরায় জয়েন হয়েছে ” click septembe  20061.mpg.joined ”

    এবং ফাইলটিতে .joined এক্সটেনশন এ্যাড করা আছে । সেটা মুছে দিলাম । ব্যাস স্প্লিট আর জয়েন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হল।


  • Mount HD drive in linux

    লিনাক্সে উইন্ডোজের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ দেখা

    আপনি যদি নতুন লিনাক্সব্যবহার কারী হন বা মাত্র লিনাক্স ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে দেখে থাকবেন যে আপনার অন্যান্য হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কোথাও দেখা যাচ্ছে না। কারন লিনাক্সে হার্ডডিস্ক , ইউএসবি বা রিমুভেবল ডিস্ক দেখানো হয় mount করার মাধ্যমে।তবে কিছু কিছু লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন startup এর সময় হার্ডডিস্ক মাউন্ট করে থাকে। যেমন Ubuntu Linux , OpenSuse 10.1। তবে OpenSuse 10.1 এর ক্ষেত্রে কিছুটা এভাবে করতে হবেঃ

    Gnome মেনু থেকে -

    Application > System > Configuration > Gnome Configuration Editor এ ক্লিক করে

    চিত্রঃ Gnome Configuration Editor

    Gnome Configuration Editor ওপেন করুন তারপর বামের ফোল্ডার গুলো expand করেঃ

    / > System > storage এ এসে

    # Display drives with removable media

    # Display external drives

    # Display internal hard drives

    এগুলোতে টিকমার্ক দিয়েদিন আর scsi হার্ডডিস্ক থাকলে scsi অপশন গুলোতেও টিকমার্ক দিয়ে দিন। তার পর সুসি রিস্টার্ট করুন । তবে আপনার ড্রাইভ গুলো দেখতে পাবেন।

    আর সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন গুলোর ক্ষেত্রেঃ

    লিনাক্সে NTFS পার্টিশন মাউন্ট করতে কিছটা সমস্যা আছে, মাউন্ট করলে সম্ভবত রিড অনলি এক্সেস দিবে। Fat32 ক্ষেত্রে

    লিনাক্স কিন্তু আপনার হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কে C,D,E এভাবে দেখাবে না । লিনাক্স দেখাবে hda,hdb1,hdb2 ,hdb5 এভাবে

    [ উল্ল্যেখ্যঃ

    primary Master = hda

    primary slave = hdb

    Secondary Master = hdc

    Secondary slave = hdd

    ]

    এখন কিভাবে বুঝবেন কোনটা আপনার ড্রাইভ?

    ধরুন আপনার আমার মত লিনাক্সের পার্টিশন গুলো বাদে মোট ৮ টি পার্টিশন আছে।

    তবে
    C drive টি হবে = hda1

    D drive = hda5 [ C drive এর পরের ড্রাইভ গুলো শুরু হবে hda5 থেকে ]

    এরপর বাকি গুলো যথাক্রমে

    E drive = hda6

    F drive = hda7

    G drive = hda8

    H drive = hda9

    I drive = hda10

    J drive = hda11

    এভাবে

    আর এই hda,hdb গুলো পাবেন কোথায়?

    আপনার লিনাক্সে রুট ‘ / ‘ পার্টিশন থেকে এভাবে যান /dev/ সেখানে স্ক্রোল করে দেখবেন এগুলো আছে।

    এবার দেখা যাক কি করে এগুলোকে লিনাক্সে মাউন্ট করা যায়

    চিত্রঃ ফোল্ডার তৈরী

    প্রথমে /mnt/ এ যান সেখানে c, d, e, f, g, h, i, j নামে একয়টি ফোল্ডার তৈরী করুন [ এগুলো মুছবেন না ]

    এবার নিচের মত করে কমান্ড গুলো ‘স্পেস’ সহ টেক্সটফাইলে লিখে রাখুনঃ

    mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c

    mount -t vfat /dev/hda5 /mnt/d

    mount -t vfat /dev/hda6 /mnt/e

    mount -t vfat /dev/hda7 /mnt/f

    mount -t vfat /dev/hda8 /mnt/g

    mount -t vfat /dev/hda9 /mnt/h

    mount -t vfat /dev/hda10 /mnt/i

    mount -t vfat /dev/hda11 /mnt/j

    [ উল্ল্যেখ্যঃ

    -t = ফাইল সিস্টেমের ধরন

    vfat =ফাইল সিস্টেম

    hda = হার্ডডিস্ক primary Master হিসেবে থাকলে ]

    এখন ধরে নিচ্ছি রুট হিসেবে লগইন করে আছেন । এবার Terminal ওপেন করে ‘ mount -t vfat /dev/hda1 /mnt/c ‘ এই কমান্ডটি দিন স্পেস সহ

    এবার /mnt/c/ ফোল্ডারে ঢুকে দেখুন আপনার C ড্রাইভের ফাইলগুলো দেখা যাচ্ছে কিনা! দেখা গেলে বাকি গুলোও একই ভাবে মাউন্ট করুন।

    এখন আপনি লিনাক্স রিস্টার্ট করলে এই ড্রাইভ গুলো আনমাউন্ট হয়ে যাবে। পরে আবার লগইইন এর পর আবার সেই কমান্ডদিয়ে হার্ডডিস্ক মাউন্ট করতে হবে। এখন এই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কিভাবে?

    ধরুন আপনি চান লিনাক্স স্টার্ট আপের সাথে সাথেই সবগুলো হার্ডডিস্ক মাউন্ট হয়ে যাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগবেনা তবেঃ

    /etc/ ফোল্ডারে গিয়ে ” fstab ” ফাইলটি কোন এডিটর দিয়ে ওপেন করুন। তবে সেখানে কিছুটা এরকম কোড দেখতে পাবেন।

    চিত্রঃ fstab

    সেখানে আরো কিছু কোড যুক্ত করতে হবেঃ

    নিচের কোড গুলো এ্যাড করুন সেখানে

    /dev/hda1 /mnt/c vfat defaults 0 0
    /dev/hda5 /mnt/d vfat defaults 0 0
    /dev/hda6 /mnt/e vfat defaults 0 0
    /dev/hda7 /mnt/f vfat defaults 0 0
    /dev/hda8 /mnt/g vfat defaults 0 0
    /dev/hda9 /mnt/h vfat defaults 0 0
    /dev/hda10 /mnt/i vfat defaults 0 0
    /dev/hda11 /mnt/j vfat defaults 0 0

    আপনার ড্রাইভটি যদি ntfs হয় তবে ৩ নং সারিতে vfat এর যায়গায় ntfs দিয়ে দিন।

    ব্যাস এর পর থেকে লিনাক্স স্টার্টআপের সময় আপনার ড্রাইভ গুলো মাউন্ট হয়ে যাবে এবং /mnt/ ভেতরের
    c, d, e, f, g, h, i, j ফোল্ডার থেকে আপনার হার্ডিস্কের সেই পার্টিশন গুলো এ্যাক্সেস করতে পারবেন।

    তবে এই সবের পূর্বে ” fstab ” ফাইলটির একটি ব্যাকআপ কপি রাখুন করুন।

    আর আপনার লিনাক্স সম্পর্কিত সমস্যা http://forum.linux.org.bd/ এখানে

    বা Bdlug এ আলোচনা করতে পারেন।


    আর রাসেল ভাইকে ধন্যবাদ বিষয় টি পরিষ্কার ভাবে বোঝানোর জন্য


  • Unijoy in OpenSuse 10.1

    আপনি যদি লিনাক্স ব্যবহার করে থাকেন। তবে দেখে থাকবেন লিনাক্সে “Probhat” নামে বাংলা কি বোর্ড লেআউট আছে। যেটি একটি ফোনেটিক লেআউট। যেমন k= ক ,b= ব বা m=ম আসে। তবে আপনাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত। কিন্তু লিনাক্সে বিজয় ব্যবহারের উপায় নেই। তবে আপনি unijoy লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন। যেটি একুশের তৈরী। এই লেআউটটি বিজয়ের খুব কাছাকাছি তাই বিজয় ব্যবহার করে থাকলে এটি ব্যবহারে সমস্যা হবেনা। তবে ছোট পার্থক্য হচ্ছে এতে অক্ষরের পরে ে=কার , ৈ=কার ,ো=কার বা ি=কার দিতে হয়। অর্থাৎ আমরা হাতে লেখার সময় যেমনটি লেখি।

    যেমন “কেমন” লেখতে আগে ক=ে=ম=ন

    বা কোথায়” ক=ো=থ=া=য় এভাবে

    এখন লিনাক্সে যারা ফোনেটিক লেআউট ব্যবহারে অভ্যস্ত না বা স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন না তারা এই লেআউটটি ব্যবহার করতে পারেন।

    তাদের http://ekushey.sourceforge.net/ সাইট থেকে লেআউটটির উইন্ডোজ ভার্সনটি ট্রাই করতে পারেন।

    আর লিনাক্সে ব্যবহারের পদ্ধতি বলছি।

    আমি বর্তমানে OpenSuse 10.1 ব্যবহার করছি এবং Gnome ডেক্সটপ ব্যবহার করছি।

    এবার দেখাযাক কিভাবে ইউনিজয় লেআউট ইনস্টল করলামঃ -

    প্রথমে Gnome প্যানেলের Desktop মেনু থেকে YaST Control Center এ ক্লিক করে (বা খুজে দেখুন এটি কোথায় আছে kde ব্যবহার করলে) YaST Control Center চালু করুন।

    চিত্রঃ YaST Control Center

    চালু করলে YaST Control Center উইন্ডো থেকে ” Software Management ” এ ক্লিক করুন তাহলে ” Software Management ” উইন্ডো তে ইন্সটলড আনইন্সটলড সকল সফটওয়্যারের লিস্ট দেখতে পাবেন।

    চিত্রঃ YaST Software Management

    এবার ” Filter: ” থেকে ‘Search’ সিলেক্ট করুন তারপর scim লিখে সার্চ করুন। দেখুন scim প্যাকেজটি ইনস্টল করা আছে কিনা।
    ইন্সটল করা থাকলে বা পাশে টিক চিহ্ন দেখাবে। না করা থাকলে টিকমার্ক দিয়েদিন। তারপর নিচের Accept বাটনে ক্লিক করুন। এখন আপনার সুসির সিডি বা ডিভিডি হাতের কাছে রাখুন এগুলো এখন লাগবে। সিডি/ডিভিডি ঢুকিয়ে সেগুলো ইস্টল করুন।

    এবার আবার Software management এ ফিরে আসুন।

    চিত্রঃ Bangla Language

    এবার ” Filter: ” থেকে “Language” সিলেক্ট করুন তাহলে অনেকগুলো language সহ ” bn Bengali ” দেখতে পাবেন। সেটি সিলেক্ট করুন তবে ডানে ৫টির মত প্যাকেজ দেখতে পাবেন সবগুলো সিলেক্ট করুন বা ” bn Bengali ” তে টিকমার্ক দিন। এখানে ’scim-m17n’ মূল। এবার আবারো আগের মত “Accept” বাটনে ক্লিক করুন।

    চিত্রঃ Accept

    এবং সেগুলো সিডি বা ডিভিডি থেকে ইনস্টল করে নিন।

    এখন আপনার ‘Gnome pannel’ বা taskbar যাকে বলে তাতে ছোট একটা কিবোর্ড আইকন দেখতে পাবেন। যদি তা দেখতে না পান তবে Application menu থেকে system> configuration> SCIM input mathod setup এক্লিক করুন।

    চিত্রঃ SCIM input mathod setup enable taskbar icon

    এখন বামের Panel>GTK তে ক্লিক করে Mics এর আন্ডারে ’show tray icon’ এ টিক মার্ক দিয়ে দিন। তবে প্যানেল কিবোর্ড আইকনটি দেখতে পাবেন। হয়তো বা রিস্টার্ট করার প্রয়োজন হতে পারে।

    চিত্রঃ SCIM input mathod setup select unijoy layout

    এবার SCIM input mathod setup উইন্ডো থেকে বামের মেনু থেকে IMEngine>Global Setup>

    এ ক্লিক করে যেই “Bengali” দেখতে পাচ্ছেন তাতে ক্লিক করে ‘M17N-bn-unijoy’ সহ দুটোতেই টিকমার্ক দিয়ে দিন।

    এবার যখনই কোন এডিটরে বা কোথাও লেখার কাজ করবেন তখন taskbar থেকে সেই কিবোর্ড আইকনে ক্লিক করে লিস্ট থেকে

    Bengali থেকে unijoy সিলেক্ট করুন এবং স্বাচ্ছন্দে লেখুন

    বা ctrl+ space দিয়েও লেআউট পরিবর্তন করতে পারেন।

    আর আপনি উবুন্ট লিনাক্স ব্যবহার করে থাকলে অমিআজাদের ( একুশেরই একজন ডেভলপার ) ব্লগের এই টিউটোরিয়ালগুলো দেখতে পারেনঃ

    লিনাক্সে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার

    লিনাক্সের সব এ্যপ্লিকেশনে ইউনিজয় বাংলা কী-বোর্ড লে-আউট ব্যবহার


  • FirstVoter

    এই বারই প্রথম ভোটার হলাম। ভালোই লেগেছিল প্রথমবার ভোট দেব ভেবে।

    তবে এখন ভাবছি ভোট দেবনা।

    কারণ বর্তমানের প্রধান দল দুটোর কোনটিকেই আমি আমার ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে চাইনা।

    কারন দু নেত্রীই দুটি জমজ বিড়াল। তাদের স্বভাব একই রকম এবং দেশ পরিচালনার চেয়ে তারা একে অপরকে খামচা – খামচি করতে ব্যাস্ত।

    আর আরেকটা দলের আদর্শ কথাবার্তা কিছুটা ব্যাতিক্রম মনে হয়েছিল তা হল বি . চৌধুরীর দল। ভেবেছিলাম এবার প্রথম ভোট তাদেরকেই দেব। তবে তারা মহাজোটের সাথে মিলত হবার পর এখন তাদের কে ভোট দেবার প্রশ্নই ওঠেনা। কারন হচ্ছে মহাজোট বা আওয়ামীলীগ এর ফতোয়া বৈধ করার ঘোষনা।আমি এর বিরুদ্ধে। কারন বাংলাদেশ হচ্ছে অসাম্প্রদায়ীক দেশ। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে বাস করে। তাই এখানে নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা ধর্মের আইন থাকা সঠিকনয়। তবে বাংলাদেশ আফগানীস্থান  বা পাকিস্তানের মত পুরোপুরি মুসলীম প্রধান দেশ হলে ভিন্ন কথা ছিল।

    আমাদের দেশে রাজনীতি একটা ব্যাবসা হয়ে গিয়েছে। মানুষ এখন রাজনীতি তে আসে লক্ষ কোটি টাকা ইনভেস্ট করে। তারপর ক্ষমতায় এলে বৈদেশীক রৃন , দান-খয়রাত করা অর্থ পকেটস্থ করে।

    কাঠামো টা এমন হয়ে গিয়েছে যে হাসিনা খালেদার বংশধররাই সবসময় মূল ক্ষমতায় থাকবে। দেশসেবার আদর্শ নিয়ে কোন দল আসলেও এরকম জোট মহাজোটের সাথে যুক্ত হতে হবে। দল প্রধান না চাইলেও নিজদলের কর্মীদের চাপে নিশ্চই।

    তবে আমরা যেমন চাই তেমন ভাবে দেশকে দেখতে পাবোনা?

    পারতাম আমরা যদি প্রতিটা দূর্নীতি প্রতিটা অনিয়মের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধভাবে প্রতিবাদ জানাতাম। তবে দূঃখের বিষয় মুক্তিযুদ্ধের ৩৫ বছরে অনেক বদলে গেছি আমরা , আমাদের মধ্যে প্রতিবাদ করার মত একতা বদ্ধতা দেখাযায়না যতক্ষন না কানসাটের মত পানি গলা পর্যন্ত উঠে আসে। আরো দূঃখের বিষয় আমাদের মধ্যে দেশদ্রোহীতার জন্ম নিয়েছে। যা কিছুদিন আগে আমাদের পোশাকশিল্প ধ্বংস করার চেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছে। ভাবা যায় কোন বিদেশী নয় নিজ দেশের মানুষ তা করছে। এটা কে আমি দেশদ্রোহীতাই মনে করি।

    এজন্যই কি মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশটাকে স্বাধীন করেছিলেন নিজের রক্ত,জীবন দিয়ে। আজ ও নিজামীর মত রাজাকার আমাদের পতাকাবাহী গাড়িতে ঘুরে বেড়ায়। ধর্মকে পূঁজি করে এই দুমুখো সাপ এখনো টিকে আছে বহাল তবিয়তে। ফতোয়াকে বৈধ করার ঘোষনা শুনেও আমরা তেমন কোন প্রতিবাদ জানাই না। আজকের পুলিশেরা একাত্তুরের হানাদারের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

    আমার মতে যেকোন সরকারের উচিৎ মুক্তিযোদ্ধাদের কে জিজ্ঞেস করা তারা দেশকে কেমন দেখতেচান। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া। কারন এই দেশ টা তো তাদের ই দেওয়া। তাদের রক্ত জীবনের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন দেশ পেয়েছি।

    বেশ কিছু দিন ধরে এই বিষয়গুলী মাথায় ঘুরছিল। তাই ব্লগে লেখলাম।


  • brochure from BD Computer Fair

    কম্পিউটার মেলা থেকে পাওয়া ব্রশিওর গুলো থেকে লিনাক্সের গুলো আলাদা করে স্ক্যান করে রেখেছিলাম। এখানে দিয়ে দিলামঃ

    1. ডেক্সটপ পাবলিশিং এ ওপেনসোর্স – অঙ্কুর ও একুশে

    চিত্রঃ বাহির থেকে

    চিত্রঃ ভেতর থেকে

    সম্বন্ধিত লিন্কঃ

    http://www.ekushey.org/

    http://www.bengalinux.org/

    ============================

    2. মুক্ত চিন্তা মুক্ত সফটওয়্যার অন্কুর – BDLUG ( Bangladesh Linux User Group )

    চিত্রঃ বাহির থেকে

    চিত্রঃ ভেতর থেকে

    সম্বন্ধিত লিন্কঃ

    http://groups.yahoo.com/group/bdlug

    http://www.bengalinux.org/

    ============================

    3. লিনাক্স – BLUA ( Bangladesh Linux User Alliance )

    চিত্রঃ বাহির থেকে

    চিত্রঃ ভেতর থেকে

    সম্বন্ধিত লিন্কঃ

    http://linux.org.bd/

    ============================